টার্কি চাষে আলো ছড়াচ্ছেন সীতাকুণ্ডের বিপ্লব – Ctgnews
ctgnew

টার্কি চাষে আলো ছড়াচ্ছেন সীতাকুণ্ডের বিপ্লব

সাফি-উল হাকিম : ‘থ্যাঙ্কস গিভিং ডে’তে টার্কি ভোজনরসিকদের জন্য সুখবর! চর্বি কম থাকায় গরু কিংবা খাসির মাংসের বিকল্প হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় এই টার্কি চাষ হচ্ছে এখন সীতাকুণ্ডে। উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের লালবাগ গ্রামে নিজ বাড়িতেই এই টার্কি চাষে আলো ছড়াচ্ছেন শিপ ইয়ার্ড হুইস মেশিন চালক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বিপ্লব।

টারকি পালনে বিপ্লবের স্বফলতা দেখে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারকারী পোল্ট্রি খামারিরা টার্কি চাষে দ্রুত ঝুকে পড়ছেন। গরু কিংবা খাসির মাংসের বিকল্প হিসেবে টার্কির মাংস স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী বলে প্রতিদিনই অর্ডার পাচেছন অর্ডার নিচ্ছেন তরুণ এই উদ্যোক্তা।

সোমবার (৭ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে কথা হচ্ছিল মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বিপ্লবের সাথে। যিনি এই সীতাকুণ্ডে টার্কি পালনে প্রথম তরুণ উদ্যোক্তা। পোলিট্র মুরগীর মত দ্রুত মাংস উৎপাদনে সক্ষম হওয়াতে দুরদূরান্ত থেকে বিপ্লবের কাছে আসছেন টার্কি মুরগীর খামার কিভাবে করা যায় তার তালিম নেওয়ার জন্য। বিপ্লব এখন পুরোদস্তুর টার্কি পালনে প্রশিক্ষকের ভূমিকাও পালন করে যাচেছন।

বিপ্লবের খামারে শোভা পাচ্ছে খাওয়ার উপযোগী টার্কি মুরগী।

‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসীরা সনাতনী ধারায় থ্যাঙ্কস গিভিং ডে’র ছুটির দিনে টার্কি ভোজন করেন। এছাড়া ইউরোপীয় দেশগুলোতে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের পর্বের আহারেও টার্কি থাকে। মূলত টার্কি উৎপাদন মৌসুমভিত্তিক হলেও সারা বছরই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে খাবারের উল্লেখযোগ্য অংশ দখল করে আছে’ বলেন শহিদুল ইসলাম বিপ্লব।

টার্কি পালনের সুবিধার কথা উল্লেখ করতে গিয়ে বিপ্লব বলেন, মাংস উদপাদন ক্ষমতা ব্যাপক, এটা ঝামেলাহীন ভাবে দেশি মুরগির মতো পালন করা যায়, টার্কি ব্রয়লার মুরগির চেয়ে দ্রুত বাড়ে। টার্কি পালনে তুলনামূলক খরচ অনেক কম। কারণ এরা দানাদার খাদ্যের পাশাপাশি ঘাস, লতাপাতা খেতেও পছন্দ করে।

পুরুষ ও স্ত্রী টার্কি এক সাথে ছবিতে দেখা যাচ্ছে।

বিপ্লব বলেন, টার্কি দেখতে সুন্দর, তাই বাড়ির শোভা বর্ধন করে। এর মাংসে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি, চর্বি কম, তাই গরু কিংবা খাসির মাংসের বিকল্প হতে পারে। টার্কির মাংসে অধিক পরিমাণ জিংক, লৌহ, পটাশিয়াম, বি৬ ও ফসফরাস থাকে। এ উপাদানগুলো মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং নিয়মিত এ মাংস খেলে কোলেস্টেরল কমে যায়। টার্কির মাংসে অ্যামাইনো এসিড ও ট্রিপটোফেন অধিক পরিমাণে থাকায় এর মাংস খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

টার্কি আমাদের দেশে এখনোও ব্যাপকভাবে পরিচিত হয়ে উঠেনি। তবে কম সময়রে মধ্যেই টার্কি খামার দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে লাভজনক হওয়ায়। বেশিরভাগ খামার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের। অনেকে আবার নতুন উদ্যোক্তা। টার্কির লালন-পালন পদ্ধতি অনেকটাই সাধারণ মুরগির মতো। তবে সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, টার্কি মুরগি হল তৃণভোজী। এদের খাবারের ৫০ শতাংশেরও বেশি লতাপাতা, ঘাস ও পোকামাকড়, যা বসতবাড়ির আশপাশে পাওয়া যায়। এসবের জন্য বাড়তি অর্থ বিনিয়োগ করতে হয় না। ফলে টার্কির উৎপাদন খরচ কম পড়ে।

খামারে প্রবেশ করতেই বিপ্লবের কোলে উঠে পড়ে একটি স্ত্রী টার্কি। এসময় কুর্ কুর্ কুর শব্দ করতে থাকে।

লালবাগ এলাকায় গড়ে তোলা বিপ্লবের খামারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেশ কিছু টার্কি বিক্রির উপযোগী হয়ে আছে। একসাথে প্রায় ১২০টি টার্কি মুরগী খামারে রয়েছে। অপরপাশে আরেকটি খামারে দেখা গেছে ডিম থেকে সদ্য ফুটানো টার্কির বাচ্চা আলাদা করে যত্ন নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রবলবর্ষণে এসব বাচ্চা পানিতে ভিজে গেলে কিছু বাচ্চা নিস্তেজ হয়ে পড়েছে। তবে খাবার ঠিক মত খাওয়া মরে যাওয়ার আশংঙ্কা করছেন না বিপ্লব।

ফার্মের মুরগির খাবারে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, দ্রুত বৃদ্ধির জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করার যে প্রতিযোগিতা এখন দেশে চলছে এসব ব্যবহারের প্রশ্নই ওঠেনা টার্কি চাষে। টার্কি পালনে এসব ব্যবহার করার কোনো প্রয়োজন হয় না। উল্টো যে বাড়িতে এই টার্কি চাষ করা হয় সেই বাড়ির শোভাবর্ধন হয়। টার্কির কুর্ কুর্ কুর্ ডাকাডাকি সবসময় মাতিয়ে রাখে বাড়ির মানুষকে। টার্কি সবসময় পরিচ্ছন্ন পরিবেশে থাকতে পছন্দ করে বিধায় গৃহপালিত পাখি হিসেবেও এরা বাড়ির মানুষকে আকর্ষণ করে থাকে।

বিপ্লব বলেন, টার্কি ৬-৭ মাসে ডিম পাড়ে। যত্ন নিলে ৮-১০ মাসে একটি টার্কির ওজন ১১ থেকে ১২ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। টার্কি পালনে ঝুঁকি কম। ফার্মের মুরগির মতো এরা সেনসেটিভ নয়। অসুখ-বিসুখ কম হয়। তবে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর সময় সতর্ক থাকতে হয়। সঠিক পদ্ধতি না জানলে ক্ষতি হতে পারে।

টার্কি পালনের অভিজ্ঞতা থেকে বিপ্লব সিটিজিনিউজকে জানান, টার্কি কোনটি পুুরুষ কোনটি স্ত্রী তিন মাস আগে সহজে বুঝা যায় না। তবে অভিজ্ঞ খামারিরা তা বুঝতে পারেন। একটি প্রথম তিন মাস দুটি রোগের সম্মুখিন হতে এগুলো টিকা দিলে আর ভয় থাকে না।

শান্ত প্রকৃতির টার্কি মাঝে মধ্যে একে অপরের সাথে লড়াই করতে দেখা যায়। লড়াই থামাতে গিয়ে খামারে ক্যামেরা বন্দী হলেন তরুণ এই টার্কি প্রেমিক।

টার্কি চাষে পরিচছন্নতা অত্যন্ত জরুরি। টার্কি সবসময় পরিচ্ছন্ন স্থানে থাকতে পছন্দ করে। ডিম দেয়া শুরুর গড় বয়স ২৮ থেকে ৩০ সপ্তাহ। পুরুষ ও স্ত্রীর অনুপাত ১:৫। এক বছরে গড়ে ডিম দেয় ৯০-১১০টি। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হতে লাগে ২৬ থেকে ২৮ দিন। ২৮ থেকে ৩০ সপ্তাহে পুরুষ টার্কির ওজন হয় ৮-১০  কেজি। ২৮-৩০ সপ্তাহে স্ত্রী পাখীর ওজন হয় ৫-৬ কেজি। বাজারজাত করণের সঠিক সময় পুরুষ টার্কি ১৫-১৭ সপ্তাহ ও স্ত্রী টার্কি ১৮-২০ সপ্তাহ। উপযুক্ত ওজন পুরুষ টার্কির ৮-১০ কেজি ও স্ত্রী টার্কি ৫-৬ কেজি।

টার্কির ডিম

বাংলাদেশে টার্কি নতুন। নরসিংদী, রংপুরসহ দেশের কয়েকটি স্থানে টার্কির খামার গড়ে উঠেছে। দেশের সুপার স্টোরগুলোতে টার্কি বিক্রি হয়। সাধারণ বাজারে বিক্রি হওয়ার মতো পর্যায়ে উৎপাদন পৌঁছেনি। দামটাও এখনও মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে। তবে ভোজনরসিক বাঙালি টার্কিকে সাদরে গ্রহণ করেন।

বিপ্লবের সাথে কথা বলে জানা গেছে, অন্যসব গৃহপালিত পাখির মতো টার্কি উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশের আবহাওয়া খুবই উপযোগী। দরকার সরকারি সহায়তা। বিশেষ করে প্রয়োজন সহজ শর্তে ঋণ, কারিগরি সহযোগিতা আর উন্নত প্রশিক্ষণ। সঠিক গাইডলাইন আর সহায়তা পেলে টার্কির মাংস রফতানি করাও সম্ভব। বৈদেশিক বাজারে টার্কির মাংসের বিপুল চাহিদা রয়েছে।

টার্কি বাচ্চা পালনের জন্য পৃথকভাব তৈরি ঘর।

টার্কি পালনে অপার সম্ভবনার কথা জানিয়ে বিপ্লব বলেন, বাণিজ্যিকভাবে উন্নত জাতের টার্কি খামার চালু করার পরিকল্পনা করছেন। বেকার যুবক শ্রেণিকে এতে সম্পৃক্ত করে আলোকিত করতে।

একটি সময় যে বিপ্লবের দিন কাটতো হুইস মেশিন চালিয়ে সেই বিপ্লবের টার্কি চাষে স্বফলতা দেখে বর্তমানে সীতাকু- উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে ভাটিয়ারী, কুমিরা, বাশঁবাড়িয়া, সলিমপুর, সোনাইছড়ি, বাড়বকু-, ইউনিয়নে টার্কি চাষ করা হচ্ছে।

বিপ্লবের মামা বিদেশ থেকে এসে মুদির দোকান করার পরিকল্পনা করে এখন ভাগ্নের টার্কি চাষে স্বফলতা দেখে নিজেই বাড়ির ছাদের উপর টার্কি চাষ করবেন বলে প্রস্তুতি নিচেছন।

২০১৪ সালের দিকে মাত্র ১৫ হাজার টাকায় কেনা চার জোড়া টার্কি বাচ্চা দিয়ে শুরু করেন টার্কির চাষ। স্বাফল্যের মুখ দেখতে শুরু করলে ছেড়ে দেন হুইস মেশিন চালানোর চাকরি। দিন রাত কাটে এখন টার্কি চাষ করেই।

টার্কি কী : এক ধরনের বৃহদাকৃতির পাখিবিশেষ প্রাণীর নাম টার্কি। মেলিয়া গ্রিডিডেই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এ প্রাণী। এগুলো দেখতে মুরগির বাচ্চার মতো হলেও তুলনামূলকভাবে অনেক বড়।

এক প্রজাতির বুনো টার্কি মেলিয়াগ্রিস গ্যালোপাভো উত্তর আমেরিকা ও মধ্য আমেরিকার বনাঞ্চলে বসবাস করে। গৃহপালিত টার্কি এ প্রজাতি থেকে ভিন্ন। অন্য জীবিত প্রজাতির মধ্যে মেলিয়া গ্রিস ওসেলাটা বা চক্ষু আকৃতির চিহ্নবিশিষ্ট টার্কির আবাসস্থল ইউকাতান উপদ্বীপের বনাঞ্চলে। বিশ্বের সর্বত্র টার্কি গৃহপালিত পাখি হিসেবে লালন-পালন করা হয়।

কিন্তু ইউরোপসহ পৃথিবীর প্রায় সব দেশে পালন করা হয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খাদ্য তালিকায় অন্যতম উপাদান। ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে ওঠার ৬ মাসের মধ্যে টার্কি ডিম দেয়। ৬ মাসের মেয়ে টার্কির ওজন হয় ৫ থেকে ৬ কেজি। আর পুরুষ প্রায় ৮ থেকে ১০ কেজি। আমেরিকায় টার্কির রোস্ট অভিজাত খাবার। আমাদের দেশে মুরগির মাংসের মতো করেই টার্কি রান্না করা হয়। রোস্ট ও কাবাব করা যায়।

এ বিষয়ে সফল টার্কি খামারি ও উদ্যোক্তা শহিদুল ইসলাম বিপ্লব সিটিজিনিউজকে বলেন, আমার মাধ্যমে যত খামারি তৈরি হয়েছে, তাদের উৎপাদিত সব টার্কি ক্রয় করে নতুন খামারিদের কাছে বিক্রি করি। এতে খামারিরা নায্য মূল্য পায় এবং পণ্য বিক্রয়ের জন্য দুশ্চিন্তা করতে হয় না। আমি এ চাষে অপার সম্ভাবনা দেখছি। এর উৎপান খরচ কম কিন্তু ভালো দামে বিক্রি করা সম্ভব। আমি আশা করি এর মাধ্যমে ব্যাপক সম্ভবনা রয়েছে আমাদের দেশে।টার্কি পালনে যোগাযোগের জন্য বিপ্লবের বাড়ির সামনে ছোট বিলবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তরুণ এই  উদ্যোক্তা জানান, বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে ও শহরে ছাদসহ অনেক জায়গা অনাবাদি বা পতিত অবস্থায় পড়ে থাকে। যেখানে প্রাকৃতিকভাবে জন্মে নানা ধরনের ঘাস-লতা। এ রকম উন্মুক্ত জায়গা টার্কি পালনের জন্য বেশি উপযোগী। অন্যদিকে আমাদের রয়েছে এক বৃহত্তর বেকার জনগোষ্ঠী। তাই একদিকে অব্যবহৃত জমিকে ব্যবহার এবং বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানÑ এ দুইয়ের মাঝে সেতুবন্ধন হতে পারে ছোট একটি টার্কি খামার।

টার্কি পালন পদ্ধতি : দুইভাবে টার্কি পালন করা যায়। মুক্ত চারণ পদ্ধতিতে। ১ একর ঘেরা জমিতে আমরা ২০০ থেকে ২৫০টি পূর্ণ বয়স্ক টার্কি পালন করতে পারি। রাতে পাখিপ্রতি ৩ থেকে ৪ বর্গফুট হারে আশ্রয় জোগাতে হবে। চরে খাওয়ার সময় তাদের শিকারি জীবজন্তুর হাত থেকে বাঁচাতে হবে। ছায়া ও শীতল পরিবেশ জোগানোর জন্য গাছ লাগানো বাঞ্ছনীয়। চারণভূমি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করতে হবে। ফলে পরজীবী সংক্রমণের ঘটনা কম হতে সাহায্য হবে। আর শেড করে টার্কি পালন করতে হলে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো লক্ষ রাখতে হবে।

টার্কিদের বাসস্থান রোদ, বৃষ্টি, হাওয়া, শিকারি জীবজন্তু থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। অপেক্ষাকৃত গরম অঞ্চলগুলোয় ঘরগুলো লম্বালম্বি পূর্ব থেকে পশ্চিমে রাখতে হবে। দুইটি ঘরের মধ্যে অন্তত ২০ মিটার দূরত্ব থাকতে হবে এবং কমবয়সী পাখির ঘর প্রাপ্তবয়স্কদের ঘর থেকে অন্তত ৫০ থেকে ১০০ মিটার দূরে থাকতে হবে।

সীতাকুণ্ডের লালবাগ এলাকায় টার্কি পালন প্রশিক্ষক বিপ্লবের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন সিটিজিনিউজের প্রতিবেদক।

ভাটিয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. নাজিম উদ্দীন বলেন, টার্কির চাষ খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বলে মনে হচ্ছে। এ এলাকায় অনেক বেকারের কর্মসংস্থান সৃৃষ্টি হয়েছে। এর অপার সম্ভাবনা রয়েছে।

খুব চাকচিক্যভাবে তার টার্কি উৎপাদন ও সরবরাহের প্রচারণা করতে না পারলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের কল্যাণে তার টার্কি দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যাচ্ছে। ফেসবুব, বিকাশ ও মোবাইলেই-(০১৮১৯-৩৬৩৬৩৯) আপতত চলে তার টার্কি ব্যবসা।

সিটিজিনিউজ/এইচএম 

সর্বশেষ সংবাদ


নোটিশ : “এই মাত্র পাওয়া” খবর আপনার মোবাইলে পেতে আপনার মোবাইলের ম্যাসেজ অপশন থেকে START পাঠিয়ে দিন 4848 নম্বরে ।
ctgnew
প্রধান উপদেষ্টা : আব্দুল গাফফার চৌধুরী
সম্পাদক : সোয়েব উদ্দিন কবির
ঠিকানা : ৯২ মোমিন রোড ,
শাহ আনিস মার্কেট ৫ম তলা, চট্রগ্রাম ।
মোবাইল : ০১৮১৬-৫৫৩৩৬৬
টিএন্ডটি : ০৩১-৬৩৬২০০

Design and Development by : Creative Workshop

60 queries in 1.479 seconds.