বিশ্বমানের ব্যায়ামাগার ‘মেট্টো ফ্লেক্স জিম’ চট্টগ্রামে – Ctgnews
ctgnew

বিশ্বমানের ব্যায়ামাগার ‘মেট্টো ফ্লেক্স জিম’ চট্টগ্রামে

মেট্টো ফ্লেক্সি জিমের সত্তাধিকারী নাচিমুল হক  লিটন।

সাফি-উল হাকিম : শরীর গঠনে বাংলাদেশে নিয়মিত ব্যায়াম করে তারকা খ্যাতি অর্জন করেছেন তাদের মধ্যে চট্টগ্রামের সন্তান মো. নাচিমুল হক লিটন অন্যতম। শৈশবকাল থেকে ওস্তাদের প্রতি অকুণ্ঠ শ্রদ্ধাবোধ তাকে দিয়েছে অনেক কিছু। কোটি টাকা ব্যয়ে নগরীর হালিশহর বড়পোল মোড়ে গড়ে তুলেছেন বিশ্বমানের শরীরগঠন কেন্দ্র মেট্টো ফ্লেক্স জিম।

চট্টগ্রাম শরীর গঠন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা ওস্তাদ আবুল ফজল (মি.রাউল পিন্ডি-১৯৬৯), বাংলাদেশ বডিবিল্ডিং ফেডারেশনের ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম শরীর গঠন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রামে বিখ্যাত জিম স্যান্ডো ব্যায়ামাগারের প্রতিষ্ঠাতা ওস্তাদ মনতোষ ঘোষ, চট্টগ্রাম শরীর গঠন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিয় বিচারক সাবেক মাস্টার্স বাংলাদেশ শ্রী অনুপ দাশ মুকুল, বাংলাদেশ বডি বিল্ডিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদ মোঃ নজরুল ইসলাম (সাবেক মি. বাংলাদেশ) এর  শিষ্য মো. নাচিমুল হক লিটন।

আধুনিক যন্ত্রে সজ্জিত মেট্টো ফ্লেক্সি জিম।

চারপাশে লাভজনক এতো ব্যবসা রেখে তাঁর জিম প্রতিষ্ঠার পেছঁনে কারণ কি, কেন জিম গড়ে তোলা, তার লক্ষই বা কি ? বডিবিল্ডিং এর মাধ্যমে তিনি মানুষকে কি বার্তা দিতে চান কি কারণে একজন মানুষ জিমের সংস্পর্শে থাকবেন। সে কথা জানতে মুখোমুখি হন সিটিজিনিউজের এই প্রতিবেদক। মেট্টো ফ্লেক্স জিমের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালকের পাশাপাশি তিনি বর্তমানে  চট্টগ্রাম শরীরগঠন সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

মি.লিটনের জিম নিয়ে হাতে খড়ি ১৯৯৮ সাল থেকে। সেই থেকে এখন অবদি নিয়মিত ব্যয়াম করে যাচ্ছেন। কিন্তু ব্যায়ার করে লাভ কি? প্রশ্নের জবাবে বলেন, প্রথম দিকে আমিও সে প্রশ্ন চিন্তা করতাম। কিন্তু এখন সেই দিন সেই চিন্তায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে লিটনের জিমের সাম্রাজ্যে । উল্টো এখন তিনি প্রশ্ন করেন জিম আরও আগে চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দরকার ছিল সচেতন বাণিজ্যিক রাজধানীর মানুষের জন্য। এখন ঢাকা থেকে আমরা পিছিয়ে গেছি। সেই পিছিয়ে পড়া থেকেই আমার যত চেষ্টা কিভাবে চট্টগ্রামে জিমকে সবার কাছে প্রতুল করে সমাজ সচেতনতায়, সংস্কৃতিতে নতুন কিছু সৃষ্টি করা যায়।

মুহুরী পাড়া উত্তর আগ্রাবাদের সন্তান মো. নাচিমুল হক লিটন। ২০০৪ সালে নগরীর ফোকাল পয়েন্ট খ্যাত বড় পোল এলাকায় প্রথম গড়ে তুলেন ফাস্ট ফিটনেস নামে একটি নরমাল জিম। সেই সময় ১২ লাখ টাকা গুনতে হয়েছে এই জিমের পিছঁনে। জিমের চাহিদা, মানুষের মধ্যে শরীরগঠন নিয়ে সচেতনা বাড়ায় নতুন করে ভাবতে থাকেন কিভাবে অল্প কয়েকদিনের মধ্যে কিভাবে আধুনিকমানের ব্যায়ামাগারে রুপ দেয়া যায় । সেই চিন্তা থেকে ২০১৪ সালে প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয় করেছেন ব্যায়ামের জন্য ব্যবহৃত ইলেক্ট্রক্সি মেশিনারিজ কিনে। ব্যায়ামাগারটি সর্বোচ্চ পর্যায়ের আধুনিকমানের সাথে কম খরচে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ যাতে তার ব্যায়ামাগারে সম্পৃক্ত থাকে সেই লক্ষ্যে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচেছন।

চেষ্টা করেছেন বিশ্বের নাম করা জিম গুলোর আদলে গড়ে তোলার। ব্যায়ামের জন্য প্রয়োজন সবধরনের ইকুইপমেন্ট রাখার ব্যবস্থা করেছেন। ইউএসএ ও ফ্লান্সের তৈরি অরজিনাল ইমপাল্স রেখেছেন ব্যায়ামাগারে। ২০১৪ সাল থেকে শরীরগঠনে কিভাবে আধুনিক এসব মেশিনারিজ ব্যবহার জনপ্রিয় করে তোলা যায় তার উপর দিচ্ছেন মোটিভেশন।

জিমের মেম্বারদের দিয়ে যাচ্ছেন আধুনকি সবধরনের সুযোগ সুবিধা। ব্যয়ামাগারটির আয়তন প্রায় ৪ হাজার স্কোয়ার ফিট। নারী পুরুষের জন্য পৃথকভাবে এখানে ব্যায়ামের ব্যবস্থা রয়েছে। সার্বক্ষনিক হাইপ্রোফাইল ফ্যাসিলিটি পাচ্ছেন ব্যায়াম করতে আসা মেম্বারগণ। মেম্বারদের আগ্রহে সপ্তাহে সাত দিনই খোলা রাখেন। রয়েছে ওয়াই-ফাই ও ক্যাফে-জুস বার, মিউজিক বারের ব্যবসস্থা রেখেছেন ব্যায়ামাগারটিতে।

নিজ ব্যায়ামাগারে নিয়মিত ব্যায়ামের অংশ হিসেবে শরীরচর্চায় ব্যস্ত নাসিমুল হক লিটন।

কতদূর এগুতে চান এই ব্যয়ামাগার নিয়ে জবাবে মি. লিটন বলেন, ‘আমরা এখন যারা কর্মক্ষম তারা নিজ নিজ কাজের জন্য শরীরের ব্যাপারে একদম সজাগ নই। কিন্তু হঠাৎ করে শরীরের জন্য প্রচুর টাকা খরচ করতেও কার্পণ্য করি না। কিন্তু নিয়মিত যদি ব্যায়ামাগারে আপনার আসা-যাওয়া থাকে আপনি বৃদ্ধ বয়সে গিয়েও তারুণ্য ধরে রাখতে সক্ষম হবেন। ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে সেই তারুণ্য ধরে রাখার চেষ্টা। এখন হয়তো আপনি শরীরের জন্য টাকা খরচ করতে চান না কিন্তু একটা সময় আসে আপনি টাকা খরচ করছেন শরীর গঠনের জন্য। হয়তো সেই সময় আপনার জন্য অনুকূল না থাকতে পারে।

বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম শরীরগঠন সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ বডি বিল্ডিং ফেডারেশনের নব নিযুক্ত নতুন বিচারক পদের দায়িত্ব পালন করছেন। নতুনদের উদ্দেশ্যে এই বিচারক বলেন, ‘যুগটা এখন চলছে ডিজিটালের যুগ। সে বিষয়টি মাথায় রেখে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমি আমার মেম্বারদে প্রস্তুতি নিতে বলি। সে জন্য মেট্টো ফ্লেক্স জিমে সব ধরনের সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। ব্যায়ামের বিষয় মাথায় রেখে, মানুষকে একটি সুস্থ্য শরীর উপহার দিতে, সুস্থ্য সমাজ, আনন্দময় সমাজ বিনির্মাণে নামমাত্র ফি নিয়ে ব্যায়ামের সুযোগ করে দিয়েছি। যা চট্টগ্রাম শুধু নয় পুরো বাংলাদেশের মধ্যে আমিই একমাত্র দাবী করি। শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যায়ামাগারে বিশেষ ফ্যাসিলিটি রয়েছে।

‘যখন তিনি নবম শ্রেণির ছাত্র তখন থেকেই জিম নিয়ে তার মনে লালিত হতে থাকে স্বপ্ন। বড় হওয়া সাথে সাথে তার স্বপ্নও বাস্তবে রুপ নিতে থাকে। প্রথম দিকে ছিলেন একটি জিমের মেম্বামাত্র যেখানে শরীরচর্চা শরু করেন। ব্যায়াম করে দেশে- বিদেশে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নিয়ে অর্জন করেন খ্যাতি। সেই মানুষটিই এখন একাধারে ব্যায়াম প্রশিক্ষ, বডিবিল্ডিং ফেডারেশনের বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন।’ বলেন নাচিমুল হক লিটন।

নিউক্লিয়ার ফ্যামিলির মধ্যে বড় হয়ে ওঠা লিটনের পরিবারে স্ত্রী, দুই ছেলে, মা-বাবা ও ছোট ভাই রয়েছে। সবাই যখন ব্যবসায় প্রসার, পরিবারের ব্যস্ততায় নিজেজে ভাঁসিয়ে দিয়েছে তখন দেশ প্রেম থেকেই গড়ে তোলেন ব্যায়ামাগার। ব্যয়ামগার গড়ে তোলার জন্যই যেন তার জন্ম। যুবক লিটনের চিন্তুা-চেতনায় মানুষের শরীরগঠন ছাড়া আর কিছুই তিনি চিন্তা করেন না। ব্যায়মামাগার দিয়ে যত্র-তত্র ব্যবসার চিন্তা তার নেই। যে টাকা খরচ করছেন তা অন্য কোন ব্যবসা করতে পারতেন। সেই জায়গায় এই ব্যবসা করছেন সেবা বিক্রি করে। এটি যেন এখন তার রক্তে-মাংসে মিশে গেছে। ওস্তাদ নজরুল ইসলাম, ওস্তাদ আবুল ফজল, ওস্তাদ শ্রী অনুপ দাশ মুকুল ও ওস্তাদ শ্রী মনতোষ ঘোষের শিষ্টাচার প্রচারণায় সদা ব্যস্ত লিটনের মধ্যেই একদিন আরেক মনতোষ ঘোষকে খুঁজে পাওয়ার হাতঁছানি।

বর্তমানে মেট্টো ফ্লেক্স জিমের মেম্বারের সংখ্যা এক হাজারে ছাড়িয়ে গেছে। মালিকসহ মেট্টো ফ্লেক্সি জিম পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন মোট সাতজন। গড়ে প্রতিদিন দু’শত মেম্বার এখানে আসেন নিয়মিত ব্যায়াম করতে। ব্যায়ামাগারটি নগরীর একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতে থাকাতে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। জিমটি গড়ে তোলার পেছনে মা-বাবাই তার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। গ্লাক্সো স্মিথ ক্লাইন কোম্পানির সাবেক কর্মকর্তা বাবা আলহাজ্ব আবু তাহের ছেলের এই ধরনের উদ্যোগে খুশি।

ইয়ার্লি, হাফ ইয়ার্লি, কোয়াটার্লি, মান্থলি ও রেগুলারলি মেম্বারশিপ গ্রহণ করার সুযোগ রয়েছে এখানে। সকাল ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকে ব্যায়ামাগারের দরজা।প্রতিদিন গড়ে কমপক্ষে ৩০০ মেম্বার এখানে জিম করতে আসেন বলে জানান লিটন।

স্বপ্ন দেখেন তার জিমে ব্যায়াম করতে আসা মেম্বারদের নিয়ে। শরীরের স্ট্র্যাকচার দেখে থিউরি ঠিক করে দেন। কিভাবে বডিবিল্ডার্স ইউটিলাইজড করা যায়। ১৮ বছর থেকে শুরু করে নারী-পুরুষ এখানে ব্যায়াম করতে আসছেন। এতে তাদের শারীরিক-মানুষিক দুটোই ঠিক থাকে। এক ঘণ্টা থেকে থেকে দেড় ঘণ্টা দৈনিক দৈহিক ব্যয়াম করার উপর গুরোত্বারোপ করে লিটন বলেন, এখন যারা শুধুই টাকার পেঁছনে দৌড়াচ্ছেন একদিন একটা সময় আসবে সেই টাকা খরচ করবে শরীরগঠনের জন্য। তাদের প্রতিই আমার পরামর্শ আসুন এখনই ব্যয়ামাগারের সাথে সম্পর্ক গড়ি। নিজেকে সুস্থ্য রাখি।

জিমে আসা নতুন মেম্বারদের সার্বক্ষনিক বেসিক ঠিক রেখে ব্যায়াম শুরু করার দিক নির্দেশনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। ব্যায়ামাগারটিতে বেতনভূক্ত তিন জন পুরুষ ও দুই নারী প্রশিক্ষক রয়েছেন। মেম্বারদের সার্বক্ষনিক ব্যয়ামের আদর্শ বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা দিয়ে থাকেন। একটা সময় একজন মেম্বার হয়ে উঠেন সুস্থ্য, সুন্দর, সুঠাম দেহের অধিকারী।

শুধুমাত্র জিম পর্যন্তই বন্দী থাকতে চান না খ্যাতিমান এই জিম তারকা। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গণে ছড়িয়ে দিতে চান জিমের সুফল। ভাগ করে নিতে চান জিম নিয়ে তার যত স্বফলতা। সরকারিভাবে এর উপর নজর বাড়ানো দরকার বলে মনে করেন তিনি। এ লক্ষ্যে প্রতিবছর প্রতিযোগিতামূলক বিভিন্ন ইভেন্ট আয়োজনের কথা জানান। দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বডিবিল্ডিং ফেডারেশনসহ বাংলাদেশে ৪২টি ফেডারেশন রয়েছে । তার মধ্যে সরকার থেকে কম সহযোগিতা পান এই বডিবিল্ডিং ফেডারেশনে। এতে তিনি অধিকতর সহযোগিতা আশা করেন।

একজন বডিবিল্ডার্সের জন্য বাৎসরিক দেড় লাখ টাকা থেকে দুই লাখ টাকার প্রয়োজন পড়ে। সে অনুযায়ী খরচ মেটাতে পারে না। আমরা যারা সংগঠন করে এই ফেডারেশনের উন্নয়নে মরিয়া তাদের যদি  ২৫ % নিজের ২৫ % ও বাকি  ৫০ % সরকারের থাকা দরকার বলে মনে করেন তরুণ এই বডিবিল্ডার্স উদ্যোক্তা। তাদের জন্য যে পুরষ্কারের ব্যবস্থা করা হয় তা খুবই নূন্যতম। অথচ বিশ্বের মধ্যে এটি কত  ব্যয়বহুল ও জনপ্রিয় ।

আগামী ডিসেম্বর মাসে মি. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা হবে ঢাকার এন এস টাওয়ারে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ঢাকার চেয়ে চট্টগ্রাম এগিয়ে রয়েছে বলে দাবী করেন তিনি। প্রচারণার দিকেও এটি পিছিয়ে রয়েছে বলে জানান। অন্যান্য খেলা যেভাবে দেশের বিভিন্ন টেলিভিশনে প্রচারণা করে লাইভ দেখায় সেভাবে এটির ক্ষেত্রে চোখে পড়ে না। এসময় সিটিজিনিউজের এই প্রতিবেদককে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন প্রথম কোন গণমাধ্যমকে দেখছি সরেজমিনের এসে বডিবিল্ডিং নিয়ে প্রতিবেদন করছে। আমি মনে করি সব মিডিয়া চাইলে সিটিজিনিউজ থেকেই শুরু করতে পারে।

বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্র ঘুরে দেখেছেন। সেখানকার জিম সম্পর্কে জ্ঞানঅর্জন করেছেন। ভারতের একমাত্র ইন্ডিয়া মেট্টো ফ্লেক্স জিম, দুবাইয়ের টাইগার জিমের আদলেই তিনি গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন মেট্টো ফ্লেক্সি জিম।

সিটিজিনিউজ/এইচএম

সর্বশেষ সংবাদ


নোটিশ : “এই মাত্র পাওয়া” খবর আপনার মোবাইলে পেতে আপনার মোবাইলের ম্যাসেজ অপশন থেকে START পাঠিয়ে দিন 4848 নম্বরে ।
ctgnew
প্রধান উপদেষ্টা : আব্দুল গাফফার চৌধুরী
সম্পাদক : সোয়েব উদ্দিন কবির
ঠিকানা : ৯২ মোমিন রোড ,
শাহ আনিস মার্কেট ৫ম তলা, চট্রগ্রাম ।
মোবাইল : ০১৮১৬-৫৫৩৩৬৬
টিএন্ডটি : ০৩১-৬৩৬২০০

Design and Development by : Creative Workshop

55 queries in 1.098 seconds.