মিয়ানমার সেনাদের নতুন অস্ত্রের নাম ধর্ষণ

0 13

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

নিউজ ডেস্ক ::   মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদেরজাতিগতভাবে নির্মূল করারঅভিযানে সেনাবাহিনী নারী ধর্ষণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে বলে আলামত মিলছে

জাতিসংঘের চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের বরাত দিয়ে রয়টার্স বলছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সহিংসতার মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের মধ্যে এমন কয়েক ডজন নারী চিকিৎসা নিয়েছেন, যাদের আঘাতগুলো নৃশংস যৌন হামলার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু এই মুসলিম নারীরা বার বার বলাৎকার ও দলবদ্ধ ধর্ষণের যে অভিযোগ এনেছেন, সেগুলোকেই জোরালোভাবে সামনে এনেছেন এই চিকিৎসরা। কিছু ক্ষেত্রে রয়টার্সের পর্যালোচনা করা মেডিকেল নথির সঙ্গেও এগুলো মিলে যায়।

এসব অভিযোগকে সেনাবাহিনীকে কলংকিত করার সাজানো প্রপাগান্ডা হিসেবে বলে উড়িয়ে দিয়ে পাল্টা মিয়ানমারের কর্মকর্তারা বলছেন, তার সন্ত্রাস দমনের বৈধ অভিযান চালাচ্ছে এবং বেসামরিক মানুষের জীবন রক্ষা করা আদেশ পালন করছে।

অভিযোগ নিয়ে কেউ তাদের কাছে গেলে তারা তদন্ত করে দেখবেন বলে মিয়ানমারের নেতা অং সান সু চির মুখপাত্র জ তেই জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “ওইসব ধর্ষিতারা আমাদের কাছে আসুক, আমরা তাদের পূর্ণ নিরাপত্তা দেব। আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থাও নেব।”

তবে গত বছরের শেষ দিকে রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণ করার অনেক অভিযোগ প্রকাশ্য হলেও সেগুলো নিয়ে সু চি নিজে কোনো মন্তব্য করেননি।

গত অক্টোবরে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর উপর রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার ঘটনার পর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। ২৫ অগাস্টে আবার হামলার ঘটনার পর সেনাবাহিনী পাল্টা কঠোর দমন অভিযান চালাচ্ছে, যেটাকে ‘রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী নির্মূলকরণ’ বলছে জাতিসংঘ।

এর পর থেকে সোয়া চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশের সীমান্ত জেলা কক্সবাজারের আশ্রয় নিয়েছে।

এইচএম/সিটিজিনিউজ

 

#####

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.