ভোক্তা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ছে!

0 16

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

নিউজ ডেস্ক   ::   ভোক্তা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম আবার বাড়ছে । এই উদ্দেশ্যে আজ সোমবার গণশুনানি শুরু হয়েছে। প্রতি ইউনিট খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ৬ থেকে ১৪ শতাংশ এবং পাইকারি বিদ্যুতের দাম প্রায় ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে বিতরণকারী সংস্থা-কোম্পানিগুলো।

প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করতেই গণশুনানি শুরু করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বিইআরসি সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শুধু পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) লোকসানে রয়েছে। বাকি কোম্পানিগুলো লাভজনক অবস্থায় আছে।

তেলের দাম কমানো হলে মুনাফার পরিমাণ আরো বাড়বে। তবে এ খাতে গৃহীত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সরকারি অর্থায়ন নিশ্চিত করতে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে আগ্রহী সরকার। বিইআরসি আইন অনুযায়ী গণশুনানির পর ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিইআরসি সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে হবে। সব মিলিয়ে চলতি বছরেই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়া হবে।

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনে বিতরণকারী সংস্থাগুলোর কাছে বিক্রি করে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। পিডিবি নিজেই সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।

বিইআরসি সূত্র জানায়, বিতরণ কোম্পানিগুলোর কাছে পাইকারি বিক্রির ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭২ পয়সা (প্রায় ১৫ শতাংশ) বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে পিডিবি। বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানিগুলো গ্রাহক পর্যায়ে ৬ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে।

খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে ডিপিডিসি গড়ে ৬ দশমিক ২৪ শতাংশ, ডেসকো ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ, ওজোপাডিকো ১০ দশমিক ৩৬ শতাংশ, আরইবি ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং পিডিবি ১৪ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। কয়েকটি কোম্পানি গ্রাহক পর্যায়ে ডিমান্ড চার্জ ও সার্ভিস চার্জ বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে।

পাইকারি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিতে পিডিবির প্রস্তাব, বর্তমানে প্রতি ইউনিট পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৮৭ পয়সা। কিন্তু প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর কাছে সরবরাহ করতে গড়ে ব্যয় হয় ৫ টাকা ৫৯ পয়সা। এ ৭২ পয়সার ঘাটতি দূর করা দরকার।

এ দিকে বিদ্যুতের মূল্য পুনঃনির্ধারণে সংস্থাগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাজধানীর কাওরান বাজারে টিসিবি মিলনায়তনে গণশুনানি শুরু হয়েছে। আগামী ৪ অক্টোবর পর্যন্ত ৭ কর্মদিবসে প্রতিদিন সকাল ১০ থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ বিদ্যুত্ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) পাইকারি (বাল্ক) ও খুচরা মূল্যহার পরিবর্তনের আবেদনের ওপর যথাক্রমে আজ এবং আগামীকাল মঙ্গলবার শুনানি হবে। মূল্যহার পরিবর্তনে আরইবির প্রস্তাবের ওপর বুধবার এবং ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) প্রস্তাবের ওপর বৃহস্পতিবার শুনানি গ্রহণ করা হবে।

একই সঙ্গে আগামী ২, ৩ ও ৪ অক্টোবর যথাক্রমে ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো), ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) এবং নবগঠিত নর্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (নওজোপাডিকো) প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

সিটিজি নিউজ / এসএ 

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.