১৯ ড্রাম ব্লিচিং ও চার লাখ পিউরিপায়ার টেবলেট মজুদ কক্সবাজারে

0

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ১২ টি অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমার নাগরিকদের জন্য মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে সরকারি উদ্যোগে নেয়া স্যানিটেশন ব্যবস্থা ও সুপেয় পানির উৎস স্থাপন কাজ জোর গতিতে এগিয়ে চলছে।

এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নলকুপ বসানো ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট স্থাপন করা হচ্ছে। প্রতিদিনই বাড়ছে নলকুপ ও টয়লেটের সংখ্যা। কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ১২ টি অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমার নাগরিকদের জন্য মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে সরকারি উদ্যোগে নেয়া স্যানিটেশন ব্যবস্থা ও সুপেয় পানির উৎস স্থাপন কাজ জোর গতিতে এগিয়ে চলছে। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নলকুপ বসানো ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট স্থাপন করা হচ্ছে। প্রতিদিনই বাড়ছে নলকুপ ও টয়লেটের সংখ্যা। আজ  ১ শত ৫১ টি নলকুপ বসানো ও ৯৩ টি স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা নির্মাণ করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ১ হাজার ৩২ টি নলকূপ এবং ১ হাজার ২ শত ৩৫ টি স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট স্থাপন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এসব কেন্দ্রগুলোতে ১ হাজার ২ শত ২০ টি নলকূুপ ও ১ হাজার ৩ শত ৬৮টি স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা নির্মাণ করা হবে।চৌদ্দটি মোবাইল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিন হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ৬টি ভ্রাম্যমান ওয়াটার ক্যারিয়ার  এর মাধ্যমে উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন ক্যাম্পে নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। পানি বিতরণ ব্যবস্থা সুবিধাজনক করার লক্ষ্যে রাস্তার পাশে ১ হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ৮টি ওয়াটার রিজার্ভার স্থাপন করা হয়েছে।  পরিস্থিতি মোকাবেলায়  কক্সবাজারে ইতোমধ্যে ৪ লক্ষ “ওয়াটার পিউরিপায়ার টেবলেট” মজুদ আছে এবং কেন্দ্রীয় ভান্ডারে আরো ১৬ লক্ষ “ওয়াটার পিউরিপায়ার টেবলেট” মজুদ রয়েছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ রোধে ইতোমধ্যে ২৯ ড্রাম ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হচ্ছে। অতিরিক্ত ১১ ড্রাম মজুদ রয়েছে।

সিটিজিনিউজ/এইচএম 

Share.

Leave A Reply