ঘরোয়া ক্রিকেটের লাভজনক আসর বিপিএল

0 16

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

ক্রিয়া ডেস্ক  ::   আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি), টেলিভিশন সম্প্রচারস্বত্ব ও টিম স্পন্সরশিপ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আয়ের প্রধান খাত। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) থেকেও কম আয় করছে না তারা। ২০১২ সালে বিপিএল শুরু হয়।

সে ধারাবাহিকতায় এখন পর্যন্ত চারটি আসর বসেছে। বলা যায়, ঘরোয়া ক্রিকেটে একমাত্র লাভজনক আসর এটাই। গত চারটি আসরের আয়-ব্যয়ের খরচ বাদ দিলে বিপিএল থেকে বিসিবির নিট মুনাফার পরিমাণ ১২২ কোটি ২৯ লাখ ১৩ হাজার ৭৭২ টাকা। প্রথম দুই আসর (২০১২ ও ২০১৩) আয়োজন থেকে বিসিবি আয় করে ৭১ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। আর সর্বশেষ দুই আসর থেকে (২০১৫ ও ২০১৬) আয় হয়েছে ৫১ কোটি ৬২ লাখ ৭৭ হাজার ১১০ টাকা।

এক আসরে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে বিপিএলের দ্বিতীয় সংস্করণে, ৩৮ কোটি ৭৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। শুরুতে আসরটি আয়োজনে সব স্বত্ব পেয়েছিল গেম অন স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট। অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রথম দুই আসরে বিসিবির খরচ হয়েছে ২৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৭৪ টাকা। গেম অন স্পোর্টসের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে তৃতীয় ও চতুর্থ সংস্করণ আয়োজন করেছে বিসিবি। এ দুটি আসরে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা অবশ্য বেশ ভুগিয়েছে বিসিবিকে।

বিপিএলের দ্বিতীয় সংস্করণে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ প্রমাণে আইসিসির নির্দেশনায় ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিসিবি। ট্রাইব্যুনাল পরিচালনা, আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা পরিচালনায় বিসিবিকে খরচ করতে হয়েছে চার কোটি ৬১ লাখ চার হাজার ৬৮৮ টাকা। বিপিএল আয়োজনে বিসিবি সর্বশেষ দুই আসরে খরচ করেছে ৩০ কোটি ২২ লাখ ৪৭ হাজার ৫৪০ টাকা।

বিপিএলের চারটি আসর আয়োজনে উদ্বৃত্ত অর্থের পরিমাণ ১২২ কোটি ২৯ লাখ ১৩ হাজার ৭৭২ টাকা। তাই বলা যায়, ঘরোয়া ক্রিকেটে একমাত্র উপার্জনের আসর বিপিএল। ভবিষ্যতের কথা ভেবে ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্য আসরগুলোর ভর্তুকি কমানোর পরিকল্পনা এখন থেকেই নেওয়া দরকার বলে মনে করছেন বিসিবির পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান আফজালুর রহমান সিনহা, ‘ঘরোয়া ক্রিকেটে স্পন্সর পাচ্ছি না, এটা ঠিক। এ দায়িত্বটা আসলে বিসিবির কমার্শিয়াল কমিটির। স্বীকার করছি ভর্তুকি কমিয়ে প্রয়োজনে অর্থ সাশ্রয় করতে হবে, স্পন্সরশিপ থেকে ঘাটতি কমিয়ে আনতে হবে।’

সিটিজিনিউজ / এসএ

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.