‘কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে’ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

0

নিউজ ডেস্ক   ::   কঠোর নিরাপত্তা ও নজরদারির মধ্য দিয়ে মেডিকেল কলেজগুলোয় চলতি শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে শুক্রবার। সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত সারাদেশের ২০টি কেন্দ্রের ৩৪টি ভেন্যুতে একযোগে এ পরীক্ষা নেয়া হয়।

এবার সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ১০৫ মেডিকেল কলেজের ৯ হাজার ৩৪৩ আসনের বিপরীতে ৮২ হাজার ৮৫৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। সারাদেশে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আবদুর রশীদ।

আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে, সকালে পরীক্ষা শুরুর পরপরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন এলাকায় কেন্দ্র পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তবে বরাবরের মতোই পরীক্ষা কেন্দ্রে না ঢুকে তিনি বাইরে অপেক্ষমাণ অভিভাবকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মোহাম্দদ নাসিম বলেন, ‘কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তাই প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়ায় তারা মেধাবীদের শত্রু।

অভিভাবকদের বলতে চাই, আপনাদের সন্তানরা যারা ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন তারা সবাই মেধাবী। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অধিকতর মেধাবীরাই মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পাবেন। তাই প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে কোনো গুজবে কান দেবেন না।’

দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ৫ নম্বর কেটে নেওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অতীতের রেকর্ড পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, পুরনো শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নতুন শিক্ষার্থীদের অসম প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হয়। এতে করে পুরনো ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়ে আসছেন।

তারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন ফাঁকা রেখে মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। এতে করে উচ্চশিক্ষায় সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ কারণে আমরা ৫ নম্বর কেটে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং সর্বোচ্চ আদালতও এটার পক্ষে রায় দিয়েছেন।’

আগামীতেও ৫ নম্বর কেটে নেওয়ার বিধান থাকবে কি-না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘ভবিষ্যতের বিষয় ভবিষ্যতে দেখা যাবে।’

এ সময় অন্যদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. খান আবুল কালাম আজাদ, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় গঠিত ওভার সিইং কমিটির সদস্য কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সিটিজিনিউজ / এসএ

Share.

Leave A Reply