হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধে আদালতের নির্দেশনা

0 21

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

নিউজ ডেস্ক   ::   যানবাহনে ব্যবহূত হাইড্রোলিক হর্ন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে গাড়ির মালিক ও চালকদের নিজ এলাকার বা নিকটস্থ থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জমা হওয়া হাইড্রোলিক হর্নগুলো ধ্বংস করতে পুলিশ প্রশাসনকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ সমল্প্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল রোববার এই আদেশ দেন। যানবাহনে ব্যবহূত হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধে নির্দেশনা চেয়ে গত ২২ আগস্ট জনস্বার্থে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ পরদিন হাইকোর্টে রিটটি উপস্থাপন করেন। ওই রিটে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হাইড্রোলিক হর্নের ব্যবহার বন্ধে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত।

এ ছাড়া রুল জারির পাশাপাশি বাজারে থাকা সব হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করে চার সপ্তাহের মধ্যে আদালতে অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে পুলিশপ্রধান, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি (হাইওয়ে), যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) এবং বিআরটিএর চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় বিবাদীদের দেওয়া অগ্রগতি প্রতিবেদন গতকাল হাইকোর্টে উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। এরপর প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে হাইড্রোলিক হর্ন থানায় জমা দেওয়ার এই আদেশ দেওয়া হয়।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্টপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস। যেসব গাড়িতে এখনও হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করা হচ্ছে, সেসব গাড়ির মালিকদের ১৫ দিনের মধ্যে নিকটস্থ থানায় হর্ন জমা দিতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন। আর পুলিশ কর্তৃপক্ষকে জমা হওয়া হাইড্রোলিক হর্নগুলো ধ্বংসের জন্য বলা হয়েছে।

এ নির্দেশনা রাজধানীসহ সারাদেশের সব যানবাহনের জন্য প্রযোজ্য হবে। ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, হাইড্রোলিক হর্নের ব্যবহার বন্ধে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ আগে থেকে অভিযান চালাছে।

গত ১৬ আগস্ট জব্দ করা অন্তত ১০ হাজার হাইড্রোলিক হর্ন ধ্বংস করা হয়েছে। গাড়ি মালিক ও চালকরা হর্ন থানায় জমা দিলে আদালতের নির্দেশনা অনুসারে সেগুলো ধ্বংস করা হবে।

হাইওয়েতে এখনও আদালতের আদেশ অমান্য করে নছিমন-করিমন ও ভটভটি চলাচল করছে। তাতে অনেক শব্দ দূষণ হয়। এসব শব্দ ছাপিয়ে রাস্তায় গাড়ি চলাচলের সংকেত অন্যের কাছে পৌঁছার জন্য হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করা হয়।
সিটিজিনিউজ / এসএ

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.