উপ-মহাপরিদর্শক হলেন দেবদাস ভট্টাচার্য্য

0

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) দেবদাস ভট্টাচার্য্যকে উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ বুধবার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পদোন্নতির এই আদেশ জারি করে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন দেবদাস ভট্টাচার্য্য। এরপর ১৫তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৯৫ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে এএসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন কুড়িগ্রামে। এরপর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন খাগড়াছড়ি, সিলেট ও সিআইডিতে।

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন সিআইডিতে। এরপর আরআরএফ সিলেট কমান্ড্যান্ট (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাদারীপুর, বরিশাল, দিনাজপুর ও বান্দরবানে। ২০১৫ সালের ৬ অক্টোবর থেকে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশে অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন দেবদাস ভট্টাচার্য্য।

এর আগে ২০০৯ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত সুদানের দারফুরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া মালয়েশিয়া ও ইতালী থেকে পেশাগত প্রশিক্ষণ নেন দেবদাস ভট্টাচার্য্য।

পেশাগত ব্যস্ততার ফাঁকে লেখালেখিও করেন এ চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা। একজন পুলিশের জীবনের গল্প অবলম্বনে তার প্রকাশিত উপন্যাসের নাম ‘তারা ভালবেসেছিল’। তার প্রকাশিত আরেকটি উপন্যাস ‘মনে মেঘের ছায়া’। ‘জননী জন্মভূমি’ নামেও রয়েছে তার প্রকাশিত একটি বই। এছাড়া তার প্রকাশিত আরেকটি বই হলো ‘ফৌজদারি মামলার তদন্ত ও তদন্ত তদারকি’।

১৯৬৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার তপস্বীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন দেবদাস ভট্টাচার্য্য। তার বাবার নাম দুর্গেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য্য এবং মা রাজলক্ষ্মী ভট্টাচার্য্য। দু’জনই পরলোক গমন করেছেন। দেবদাস ভট্টাচার্য্যের বাবা স্থানীয় হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তারা এক ভাই ও এক বোন। তার স্ত্রীর নাম মধুছন্দা ভট্টাচার্য্য। তাদের সংসারে রয়েছে পুত্র আর্য এবং তিন কন্যা পরমা, শ্যামা ও শ্রী।

এদিকে দেবদাসের সঙ্গে পদোন্নতি হয়েছে পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ের আরও ১৯ কর্মকর্তার; সবমিলিয়ে বুধবার অতিরিক্ত আইজি হয়েছেন পাঁচজন, ১৫ জন হয়েছেন ডিআইজি।

সিটিজিনিউজ/এইচএম 

Share.

Leave A Reply