রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন একমাসের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে

0 22

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

নিউজ ডেস্ক   :: মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা দুই লাখ ২৪ হাজার রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। ছয়টি কেন্দ্রে ১০০টি বুথে দৈনিক নিবন্ধন হচ্ছে ১২ থেকে ১৩ হাজারের মতো রোহিঙ্গা।

এই গতিতে গেলে আগামী এক মাসের মধ্যে রোহিঙ্গা তথ্যভান্ডারের কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করেছেনবহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান।

নিবন্ধন কেন্দ্রগুলোতে রোহিঙ্গাদের ভীড় বেড়েছে। বেড়েছে নিবন্ধনের গতি।সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ভীড় ঠেলে নিবন্ধন সম্পন্ন করে সংগ্রহ করছেন ছবিযুক্ত কার্ড। সচেতন রোহিঙ্গারা এই কার্ড সম্পর্কে কিছুটা ধারণা রাখলেও অধিকাংশই ভীড় করছে কেবল ত্রাণের আশায়।

অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘শুরুর দিকে নিবন্ধন কেন্দ্র ও যন্ত্রপাতির সীমাবদ্ধতা থাকলেও এখন এসব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠেছে। এছাড়া রোহিঙ্গারা ত্রাণের জন্য ছুটাছুটি করলেও বায়োমেট্রিক নিবন্ধনে অনীহা ছিল।

তবে বর্তমানে ত্রাণসহ বিভিন্ন সহযোগিতা পেতে নিবন্ধন কার্ডের গুরুত্ব বুঝানোর পর হুমড়ি খেয়ে পড়ে রোহিঙ্গারা। ক্যাম্পে ক্যাম্পে মাঝিদের (দলনেতা) মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের উদ্ধুব্ধ করার পর এই গতি এসেছে।’

রোহিঙ্গা তথ্যভান্ডার তৈরির কাজ তদারকি করতে কক্সবাজারে উখিয়া ও টেকনাফের ছয়টি রোহিঙ্গা নিবন্ধন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান। গতকাল শুক্রবার তিনি এসব কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি বায়োমেট্রিক নিবন্ধন বিষয়ে রোহিঙ্গা এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করেন এবং খোঁজ খবর নেন। নিবন্ধন প্রক্রিয়া আরো গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং আরো বুথ বাড়ানোর নির্দেশনা দেন তিনি।

যে প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন প্রক্রিয়া চলছে তাতে আগামী এক মাসের মধ্যে রোহিঙ্গা তথ্যভান্ডার তৈরির কাজ শেষ হবে বলে আশা করেন মহাপরিচালক। মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান বলেন, ‘প্রতিদিন গড়ে ১২ হাজার থেকে ১৩ হাজার হচ্ছে। এ গতিতে হলে আশা করছি আগামী এক মাসে শেষ করতে পারব।

এরমধ্যে দুই লাখ ২৪ হাজার করেছি। আরো যদি তিন লাখ ধরি, আশা করি একমাসে শেষ হয়ে যাবে। যদি সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পায় তবে কিছু সময় লাগতে পারে। এখন শুনছি প্রায় ছয়লাখের মত হয়ে গেছে। আমাদের দুই লাখ ২৪ হাজার হয়ে গেছে যদি ওখানে সাড়ে তিনলাখও হয়, তা আমরা একমাসে শেষ করতে পারব।

সিটিজিনিউজ / এসএ

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.