গোয়েন্দা সাত ডিবি পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

0 17

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

কক্সবাজারে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১৭ লাখ ‍টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে গোয়েন্দা ইউনিটের সাত সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। মুক্তিপণ দিয়ে ‍ছাড়া পাওয়া ব্যবসায়ী গফুর আলম বাদি হয়ে টেকনাফ থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন।

পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত ডিআইজি কুসুম দেওয়ান  জানিয়েছেন, অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এতে বরখাস্ত হওয়া সাত পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে।

সাত পুলিশকে টেকনাফ থানার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। দুপুরের পর তাদের আদালতে হাজির করা হবে বলে জানিয়েছেন কুসুম দেওয়ান।

বুধবার (২৫ অক্টোবর) ভোরে টেকনাফ উপজেলার মেরিন ড্রাইভ সড়কের শাপলাপুর এলাকায় একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে মুক্তিপণের ১৭ লাখ টাকাসহ ছয়জনকে আটক করে সেনাবাহিনী। রোহিঙ্গা ইস্যুতে মেরিন ড্রাইভ সড়কের বিভিন্ন এলাকায় স্থাপিত সেনাচৌকিতে তল্লাশির মুখে পড়েছিল মাইক্রোবাসটি।

আটক ছয়জন হলেন কক্সবাজারের জেলা পুলিশের গোয়েন্দা ইউনিটের এসআই আবুল কালাম আজাদ, গোলাম মোস্তফা, এএসআই ফিরোজ আহমদ, নুরুজামান, আলাউদ্দিন এবং সিপাহী মোস্তফা আলম।

সেনাবাহিনীর তল্লাশির সময় পালিয়ে যাওয়া এসআই মনিরুজ্জামানকে পরে পুলিশ আটক করে।

আটকের পর তাদের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেন পুলিশ সুপার ড. এ কে এম ইকবাল হোসেন।

গফুর আলম নামে এক ব্যবসায়ীকে মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার শহর থেকে আটকের পর রাতভর টেকনাফে নিজেদের হেফাজতে রেখে ১৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেই টাকা নিয়ে ফেরার পথে সেনাচৌকিতে তল্লাশির মুখে পড়েন পুলিশ সদস্যরা।

তবে ঘটনার বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.আফরুজুল হক টুটুলের দাবি, গফুর একজন তালিকাভুক্ত ইয়াবা ও হুন্ডি ব্যবসায়ী। আটকের পর তার কাছে ১৭ লাখ টাকা পেয়ে পুলিশ সদস্যরা অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েন। গফুরই পুলিশ সদস্যদের কৌশলের ফাঁদে ফেলেন।

গফুর টেকনাফের মধ্য জালিয়াপাড়ার মৃত হোসেন আহমদের ছেলে। তার ভাই মনিরুজ্জামান টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর।

এই ঘটনায় কক্সবাজার জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততারও অভিযোগ উঠেছে।

সিটিজিনিউজ/এইচএম 

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.