৫০ মোটরসাইকেল চুরির তথ্য দিয়েছে গ্রেফতার জসিম

0 53

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

গোয়েন্দা জালে ফেলে সংঘবদ্ধ একটি মোটরসাইকেল চোর চক্রের দুই সদস্যকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ।  এর আগে মূল চোরদের একজনকে গ্রেফতারের পর পুরো চক্রটির সন্ধান পায় পুলিশ।  এরপর থেকে শুরু হয়েছে চক্রের অন্যান্য সদস্যদের আটকের প্রক্রিয়া।

বুধবার (২৫ অক্টোবর) রাতভর অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেল চোর চক্রের দুই সদস্যকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে তিনটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

আটক দুজন হলেন, বাদশা (২৫) ও দিদার (৩০)।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (পশ্চিম) এ এ এম হুমায়ুন কবির  বলেন, দিদারকে প্রথমে আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেরিবাজার এলাকা থেকে আটক করি।  এরপর তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সাতকানিয়া থেকে বাদশাকে আটক করি।  তার হেফাজত থেকে দুইটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছি।  এছাড়া নগরীর ফইল্যাতলী থেকে আরও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছি।

সূত্রমতে, সংঘবদ্ধ মোটরসাইকেল চোর চক্রটিতে মূল চোর আছেন দুজন।  একজন আনোয়ার এবং আরেকজন জসিম।  এর বাইরে আরও ১০ থেকে ১৫ জন আছেন যারা চোরাই মোটারসাইকেল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত।

জসিমকে গত ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় দুটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার করে নগর গোয়েন্দা পুলিশ।  মূলত তাকে জিজ্ঞাসাবাদেই পুরো চক্রটির সম্পর্কে জানতে পারে পুলিশ।

অভিযানে অংশ নেওয়া নগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক প্রিটন সরকার বলেন, শহর এলাকায় সবচেয়ে বেশি মোটরসাইকেল চুরি করে তারা।  চুরির পরই সেগুলো গ্রামে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।  সেখানে চক্রের অন্য সদস্যরা কেনাবেচা করেন।  বাদশা ও দিদার মূলত চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রি করেন।  আনোয়ার এখনো পলাতক আছেন।  তাকে ধরতে পারলে পুরো চক্রকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

তিনি জানান, গ্রেফতারের পর জসিম অন্তত ৫০টি মোটরসাইকেল চুরির তথ্য পুলিশকে দিয়েছে।  দিদার ও বাদশাও কমপক্ষে শ’খানেক মোটরসাইকেল কেনাবেচার কথা পুলিশকে জানিয়েছে।

সিটিজিনিউজ/এইচএম

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.