চট্টগ্রামে খালেদার খাবারের মেনু: ২০ পদের তরকারি ১০পদের ফল

0 24

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে রোববার (২৯ অক্টোবর) কক্সবাজার যাবার পথে শনিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে রাতযাপন করবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সার্কিট হাউসেই তিনি রাতের খাবার ও সকালের নাস্তা খাবেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর রাতের খাবারে থাকছে জাউভাতের সঙ্গে দেশি মুরগির ঝোল। রাতের খাবারের মেন্যুতে আরো থাকছে কমপক্ষে ২০ পদের তরকারি। খাবারের পর থাকছে টকদই ও ১০ পদের ফলমূল।

সূত্রমতে, দলের চেয়ারপারসনসহ ৩০ জনের খাবার তৈরি করা হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বাসায়। এজন্য খালেদা জিয়ার বাসার দুজন বাবুর্চি শনিবার সকালে চট্টগ্রাম পৌঁছেন। একজন সার্কিট হাউসে অবস্থান করেন। অন্যজন আমীর খসরুর বাসায় রান্নার কাজ তদারকি করেন। তিনি রাতে সেখানে অবস্থান করে রোববার সকালের নাস্তা তৈরি কাজও তদারকি করবেন।

খাবার তৈরির কাজে নিয়োজিত একজন বিএনপি নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দলের চেয়ারপারসন ও দলের শীর্ষ ৩০ নেতার জন্য খাবার তৈরি করা হচ্ছে। খাবারে ৭ পদের মাছ, তিন পদের মাংস, পাঁচ পদের ভর্তা, ইলিশ মাছের ডিম রান্না হয়েছে।

রোববার সকালের নাস্তায় থাকবে দেশি মুরগির স্যুপ, সবজি ও রুটি।

সূত্রমতে, আগেই থেকে অর্ডার দিয়ে রাখা চাঁদপুরের ইলিশ মাছ নগরীর ফিশারি ঘাট থেকে কেনা হয়েছে শনিবার সকালে। সঙ্গে থাকছে চিংড়ি, রূপচাঁদা, পাবদা, বাটা, কোরাল, সিমবিচি দিয়ে দেশি মাগুর মাছ।

চিনিগুঁড়া চালের সাদা ভাতের সঙ্গে ঘন ডাল, চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানি মাংস, কালো ভুনা, দেশি মুরগির ঝাল ফ্রাই রান্না করা হয়েছে। এছাড়া শুঁটকি, বেগুন, সিম, আলু ও সজনা পাতার ভর্তা থাকছে রাতের খাবারে।

তবে চিনিগুঁড়া চালের জাউ ভাতের সঙ্গে ৫০০ গ্রাম ওজনের দেশি মুরগির মাংস, সবজি ও ডাল দিয়েই বেগম খালেদা জিয়া রাতের খাবার খাবেন বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র।

ফলমূলের মধ্যে আছে ড্রাগন ফল, আঙুর, আম, দেশি পেপে, তরমুজ,দেশি কলা, কমলা, আপেল। এছাড়া থাকছে পায়েস ও টক দই।
সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার সফরকে কেন্দ্র করে শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম আসে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীর পাঁচ সদস্যের দল। অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন আজমের নেতৃত্বে আসা সদস্যরা শনিবার সকাল থেকেই সার্কিট এসে অবস্থান করেন।

লবণদানি থেকে বেডশিড, সবই নতুন

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে রাত যাপন করলেও খালেদা জিয়ার জন্য সব কিছুই নতুন করে কিনতে হয়েছে। খাবারের প্লেট, চামচ থেকে শুরু করে এমনকি লবণদানিও।

এ কাজে নিয়োজিত একজন বিএনপি নেতা  বলেন, নতুন বেডশিট বালিশের কাভার কিনে শুক্রবার আগ্রাবাদ হোটেল থেকে ওয়াশ করানো হয়েছে। রুমে থাকার প্রয়োজনীয় সবকিছুই নতুন কেনা হয়েছে।

এভিনিউয়ে থাকবেন মির্জা ফখরুল

নগরীর লালখান বাজার এলাকায় এভিনিউ হোটেলে থাকবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে তাঁর জন্য একটি স্যুইট রুম বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া আরও দুটি সুপার ডিলাক্স রুম অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে থাকা সাংবাদিক ও বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীদের জন্য নগরীর হোটেল টাওয়ার ইন ও মোটেল সৈকতে শতাধিক রুম বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে নগর বিএনপি সূত্রে জানা গেছে।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের বাসভবন থেকে কক্সবাজারের পথে রওয়ানা দিয়েছেন খালেদা জিয়া। তবে রাত ৮টায়ও চট্টগ্রামে এসে পৌঁছাননি।
কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন। সোমবার উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন।

সিটিজিনিউজ/এইচএম 

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.