‘বাম্প স্টোক’ সিস্টেম ইউটিউব সরিয়ে নিচ্ছে

0

তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক   ::  যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে বন্দুকধারী স্টিফেন প্যাডকের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৮ জন। প্যাডক এই হত্যাযজ্ঞে একটি বিশেষ ধরণের যন্ত্র ব্যবহার করেছিলেন যেটি পরিচিত ‘বাম্প স্টোক’ হিসেবে। এই যন্ত্রটি ব্যবহার করলে অটোমেটেড অস্ত্রের মত গুলি চালানো যায়।

বিভিন্ন অস্ত্রকে স্বয়ংক্রিয় করতে যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়। লাস ভেগাসের ওই ঘটনার পর ব্যাপক আলোচনায় আসে যন্ত্রটি।দাবি ওঠে ইউটিউব থেকে যেন ‘বাম্প স্টোক’ সংশ্লিষ্ট সব ভিডিও সরিয়ে নেওয়া হয়। ইউটিউবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ক্ষতিকারক ও বিপজ্জনক বিষয় নিয়ে তাদের নীতিমালা রয়েছে।

একজন মুখপাত্র বলেন, ‘সম্প্রতি লাস ভেগাসের ট্র্যাজেডির পর আমরা ভিডিওগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখি। এসব ভিডিওতে দেখানো হয় (বাম্প স্টোক যুক্ত করে) আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে কীভাবে আরো দ্রুত গুলি ছোড়া যায়। আমরা আমাদের বর্তমান নীতিতে একটু পরিবর্তন করেছি এবং এ ধরনের ভিডিও নিষিদ্ধ করেছি।’

যেসকল ভিডিও সহিংসতাকে উসকে দেয়, মানুষের শারীরিক ক্ষতি বা মৃত্যুর আশংকা বাড়ায় সেসব ভিডিওর ওপরেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল ইউটিউব। লাস ভেগাসে বন্দুকধারী স্টিফেন প্যাডক তার সেমি অটোমেটিক অস্ত্রটিকে ‘বাম্প স্টোক’ লাগানোর মাধ্যমে আরো ভয়ংকর করে তুলেছিল যেন আরো বেশি মানুষ মারা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র ১০০ ডলার খরচ করলে বিভিন্ন যন্ত্রের সাথেই বাম্প স্টোক যোগ করা যায়। লাস ভেগাসের ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন এই যন্ত্রটির ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা ভাবছে।
সিটিজিনিউজ / এসএ

Share.

Leave A Reply