‘কর বাহাদুর’ উপাধি পাচ্ছেন করদাতারা

0 21

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে যে উন্নয়ন কার্যক্রম হচ্ছে সে উন্নয়নের অর্থ আসছে আয়কর, ভ্যাট আর শুল্ক থেকে।’

শুক্রবার (০৩ নভেম্বর) নগরীর জিইসি কনভেনশন হলে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী আয়কর মেলার তৃতীয় দিনে সফরে এসে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

এসময় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান, কর অঞ্চল-১ এর কমিশনার ও মেলা কমিটির আহ্বায়ক মাহবুব হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আমরা দেশসেরা আয়কর দাতাদের সম্মানিত করছি। টেক্সকার্ড তারই প্রমাণ। যারা নিয়মিত টেক্স দেন তাদের টেক্সকার্ড দিয়ে সম্মাননা দিচ্ছি। পাশাপাশি আমরা দেখেছি একটা পরিবার ৫৮ বছর ধরে টেক্স দিচ্ছে। এছাড়া আরও যারা ২০-৩০-৪০ বছর ধরে টেক্স দিচ্ছেন তাদের আমরা ‘কর বাহাদুর’ পরিবার হিসেবে স্বীকৃত দিচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘মুখ্য সমন্বয়ক, নৌ-পরিবহন সচিবকে নিয়ে আমরা চট্টগ্রামের সম্ভাবনাময় এলাকাগুলো তা দেখছি। তার মধ্যে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর একটি। এখানে আগামী ১০০ বছরে কি কি উন্নয়ন হবে তার একটি রূপরেখা নিয়ে চিন্তা করছেন মুখ্য সমন্বয়ক মহোদয়।’

ভোক্তাদের কাছ থেকে আদায়যোগ্য ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে নামিয়ে ৭ শতাংশে আনার যে দাবি জানানো হয়েছে তা নিয়ে কোনো আলোচনা হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের দাবির বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। গত সংসদ অধিবেশনে এ নিয়ে বেশ প্রাণবন্ত আলোচনা হয়েছে। ভ্যাট আইন দুই বছর পেছানো হয়েছে। এর মধ্যে আমরা ব্যবসায়ীদের নিয়ে কিভাবে ডিজিটাল ভ্যাট, ডিজিটাল আয়কর. ডিজিটাল কাস্টমস আদায় করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করবো।

কর দেওয়ার ক্ষেত্রে যে লুকোচুরি চলে তা রোধে গোয়েন্দা বিভাগগুলোকে সক্রিয় করার কথা জানিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সকলে যাতে প্রকৃত কর দেয় তার প্রয়োজনে পরিদর্শন বিভাগকেও শক্তিশালী করেছি।’

তিনি বলেন, আমাদের নীতি হলো পে টেক্স অ্যান্ড রিল্যাক্স।
অর্থাৎ ‘আয়কর পরিশোধ করুন, নিরুদ্বেগ থাকুন।’
প্রতি বছরের মতো এবারও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ঢাকা-চট্টগ্রামসসহ সারাদেশে সপ্তাহব্যাপী আয়কর মেলার আয়োজন করেছে। জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম আয়কর বিভাগ (কর অঞ্চল-১,২,৩,৪) যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করে।

মেলায় করদাতাদের সেবা দিতে ৩৮টি আয়কর রিটার্ন জমা বুথ, ২২টি হেলপ ডেস্ক, বৃহৎ করদাতা ইউনিটের ১টি, সঞ্চয় অধিদফতরের ১টি, কাস্টমসের ১টি, মূসকের ১টি, কেন্দ্রীয় কর জরিপ অঞ্চলের ১টি ও সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য ১টি বুথ বসানো হয়েছে।

সিটিজিনিউজ/এইচএম 

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.