মহেশখালীর অপার সম্ভাবনাময় দ্বীপ সোনাদিয়া

0 51

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

নিউজ ডেস্ক:: পাখির খোলাহল আর সাগরের গুন-গুন শব্দে মূখরিত দ্বীপটির নাম সোনাদিয়া। সোনাদিয়ার দ্বীপের নামকরণের সঠিক কোন ঐতিহাসিক তথ্য না থাকলেও সোনাদিয়ার দ্বীপকে ঘিরে আদিকাল হতে তথায় সোনা সমতুল্য দামী পন্য মৎস্য সম্পদ আহরিত হত বলে এই দ্বীপ সোনার দ্বীপ তথা সোনাদিয়া বলে পরিচিতি লাভ করে। তাই ঐতিহাসিক ভাবে না হলেও লোক মুখে উচ্চারিত সোনাদিয়ার কথা বির্বতনে সোনাদিয়ার রূপান্তরিত হয়। দেশের সর্বদক্ষিণ  জেলা কক্সবাজারের উপকুলীয় দ্বীপ মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নের বিছিন্ন দ্বীপ সোনাদিয়া। আয়তন প্রায় ৪৯২৮ হেক্টর ।এ দ্বীপটি পূর্ব পশ্চিম লম্বা-লম্বী বঙ্গোপসাগরের উত্তাল তরঙ্গ এর সাথে অবস্থানরত এক অপার সম্ভাবনাময়ী সম্পদে ভরপুর। সৃষ্টিকর্তার সুনিপন সৃষ্টি শৈল্পিক আদলে গড়া কক্সবাজার জেলার পর্যটন শিল্পের আরেক সম্ভাবনাময় পরিচিত অপূর্ব দৃষ্টি নন্দন অপরুপা শোভিত সৈকতের নাম সোনাদিয়া দ্বীপ।সোনাদিয়ার মোট জমির পরিমান- ২৯৬৫.৩৫ একর। ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির পরিমান ০৩.১৫ একর। শুটকী মহাল ০২টি, চিংড়ী চাষ যোগ্য জমির পরিমান ৯৮.০০ একর। বন বিভাগের জমির পরিমান ২১০০ একর। বাকী সব প্রাকৃতিক বনায়ন ও বালুময় চরাঞ্চল।প্রাকৃতিক অপরুপ সৃজিত জীবন বৈচিত্র সমৃদ্ধ সোনাদিয়া দ্বীপ। যেখানে রয়েছে পৃথিবী বিখ্যাত বিশেষ ধরনের বৈশিষ্ট্য মন্ডিত প্যারাবন, দূষণ ও কোলাহল মুক্ত সৈকত। অসংখ্য লাল কাকড়ার মিলন মেলা, পূর্ব পাড়ায় নব্য জেগে উঠা চর, বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক কাছিম সহ দৃশ্যাবলী, দ্বীপবাসীর নিজস্ব সংস্কৃতি ও সাদাসিদে জীবন যাপন, পূর্ব পাড়ার হযরত মারহা আউলিয়ার মাজার ও তার আদি ইতিহাস, জেলেদের সাগরের মাছ ধরার দৃশ্য, সূর্যাস্তের দৃশ্য, প্যারাবন বেষ্টিত আকাঁ-বাঁকা নদী পথে নৌকা  ভ্রমন, স্পীড বোট বা ইঞ্জিন বোট দিয়ে মহেশখালী চ্যানেল হয়ে সাগরের মাঝ পথে বঙ্গোপসাগরের দৃশ্য অবলোকন যা পর্যটকদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী বাড়তি আর্কষণ।যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকা সত্বেও এ দ্বীপে সরকারী বা বেসরকারী ভাবে যথাযথ উদ্যোগ ও পরিকল্পনার অভাবে এ পর্যন্ত পর্যটন আর্কষনের আধুনিক কোন পদক্ষেপ বলতে গেলে নেওয়া হয়নি। সঠিক পরিকল্পনা পূর্বক তা বাস্তবায়ন করা গেলে পর্যটন রাজধানী হিসাবে পরিচিত কক্সবাজার শহরের অতীব নিকটবর্তী এ দ্বীপটি পর্যটন বিকাশে অন্যতম স্থান হতে পারে যা দেশের তথা কক্সবাজারের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভুমিকা রাখবে। পাশাপাশি দ্বীপবাসীর জন্য বিকল্প আয়ের পথ সৃষ্টি হবে।

সিটিজিনিউজ/মাসুদ শেখ

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.