পুষ্ঠিহীনতা রোধে ৯ হাজার স্বাস্থ্যসেবা কার্ড বিতরণ চসিকের

0
18

 

নগরীতে বিক্ষিপ্ত, বিচ্ছিন্নভাবে যে এনজিওগুলো কাজ করছে তাদের সমন্বয় ও জবাবদিহির আওতায় আনবেন বলে জানিয়েছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

বৃহস্পতিবার (০৯ নভেম্বর) দুপুরে নগর ভবনের কেবি আবদুচ ছাত্তার মিলনায়তনে স্বাস্থ্যসেবা কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র বলেন, নগরীতে সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ, সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন এনজিও স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে। নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হলে সমন্বয় দরকার। তাহলে এ নগরীর মানুষ উপকৃত হবে। চসিকের পরিকল্পনা রয়েছে এনজিওগুলোকে ডেকে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার।

স্বাগত বক্তব্য দেন চসিকের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি নাজমুল হক ডিউক।

অনুষ্ঠানে চসিকের মেয়র ও কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর একেএম মুসা সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

মূল উপস্থাপনা দেন কনসার্নের কনসোর্টিয়াম ম্যানেজার ইমরানুল হক। অতিথি ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা।

তিনি বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে চসিক কিছুটা বেশি স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারবে সুবিধাবঞ্চিত নগরবাসীকে। অন্যদিকে কার্ডধারী পরিবার চসিকের হাসপাতাল, আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সেন্টারের পাশাপাশি ব্র্যাক ও সূর্যের হাসি ক্লিনিকে বছরে নির্দিষ্ট সেবা পাবে।

সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে ২৭টি ওয়ার্ডে ৯ হাজার স্বাস্থ্যসেবা কার্ড দেওয়া হবে। এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

এ কার্ডের মাধ্যমে একটি পরিবার বছরে ২৫০০ টাকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, মাতৃত্বজনিত সেবার ক্ষেত্রে নরমাল ডেলিভারিসহ ৩০০০ টাকা, ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভধারণের ক্ষেত্রে বছরে অতিরিক্ত ৬০০০ টাকার সিজারিয়ান সেবা পাবে। পরিবারের কোনো সদস্য দুর্ঘটনায় আহত হলে বছরে সর্বোচ্চ ৫০০০ টাকার সেবা পাবে।

কার্ডের সেবা তালিকায় আছে এমবিবিএস ডাক্তার বা প্যারামেডিকস সেবা, গর্ভকালীন সেবা (এএনসি), কম্প্রিহেনসিভ এএনসি, নরমাল ও সিজারিয়ান ডেলিভারি, প্রসব পরবর্তী সেবা (পিএনসি), নবজাতক ও কিশোর-কিশোরীর স্বাস্থ্যসেবা, এমআর সেবা, সংক্রামক রোগের সেবা, রেফারেল সেবা, ওষুধ, প্রজনন স্বাস্থ্য, সহিংসতার শিকার নারীর সেবা, মা ও শিশুর পুষ্টি, অসংক্রামকরোগ, পরিবার পরিকল্পনা, প্রেগন্যান্সি টেস্ট (পিটি), সিবিসি/এইচবি, রক্তের গ্রুপ, ইউরিন আর/ই, আরবিএস, ভিডিআরএল, হেপাটাইটিস বি এবং আলট্রাসোগ্রাম। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ব্র্যাক, কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও ময়মনসিংহ পৌরসভায় স্বাস্থ্য ও পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

সিটিজিনিউজ/এইচএম 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here