লাভের টাকা দিয়ে জ্বালানি তেল খাতে নতুন অবকাঠামোতে বিনিয়োগ

0
13

নিউজ ডেস্ক   ::   সরকারের দাবি- গেলো দু’বছরের লাভের টাকা জ্বালানি তেল খাতের নতুন অবকাঠামো নির্মাণে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। কিন্তু, বিশ্বব্যাংক ও বিশেষজ্ঞ মহল বলছে, বিপিসি’র আর্থিক লাভ-ক্ষতির হিসেবসহ এই খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ব্যবস্থাপনা গত ত্রুটি দূর করতে হবে। প্রয়োজনে আর্থিক লেনদেনের আন্তর্জাতিক মানের নিরীক্ষারও তাগিদ দিচ্ছেন তারা।

দেশের একমাত্র তেল পরিশোধনাগার রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের বর্তমান সক্ষমতা রয়েছে ১৫ লাখ মে. টন তেল পরিশোধনের। যদিও, দেশের বাৎসরিক চাহিদা পৌঁছেছে ৬০ লাখ মে. টনে। সক্ষমতা বাড়াতে সনাতন এই ইউনিটটির পাশেই ৩০ লাখ মে. টন পরিশোধন ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন একটি ইউনিট নির্মাণে ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠান টেকনিপের সাথে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ।

তদারককারী প্রতিষ্ঠানের দাবি- নতুন ইউনিট চালু হলে প্রতি বছর দেশের সাশ্রয় হবে কমবেশি ৩০০ মিলিয়ন ডলার। রিফাইনারীর এমডি বলেন, আমাদের রপ্তানি প্রবণতা কমে আসবে। আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন জ্বালানী তেল তৈরি হবে। গেলো দু’বছর ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দরপতনের সুযোগে, দেশের বাজারে পণ্যটির দাম কমেছে মাত্র একবার। অর্থাৎ গেলো দুই অর্থবছর থেকে লাভের টাকা গুনছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বিপিসি। প্রশ্ন হলো- কোথায় যাচ্ছে এসব লাভ !

নছরুল হামিদ বলেন, বিপিসি যে অর্থ পাচ্ছে তা বিপিসির বিভিন্ন কাঠামো নির্মাণে খরচ করা হচ্ছে। জনগণের পিছনেই এই ব্যয় হচ্ছে। এদিকে, বিশ্বব্যাংক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের দাবি- বিপিসি’র আর্থিক স্বচ্ছতার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনাগত সীমাবদ্ধতাও দূর করতে হবে। বিপিসি প্রধানের দাবি, এসব খাত স্পষ্ট করতে প্রয়োজন নেই বিদেশী প্রতিষ্ঠানের কোনো নিরীক্ষার।

বিশ্বব্যাংকের বিশেষজ্ঞ বলেন, গেল বছর সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকার বেশি মুনাফা করেছে। স্বচ্ছতার অনেক অভাব আছে এখানে। অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, পাবলিক সেক্টরে সবচেয়ে অস্বচ্ছ একটি বিভাগ। সাধারণ জনগণ এর কিছুই জানে না। বুঝতে পারে না। এমনকি অর্থ মন্ত্রণালয় নিজেও জানে না তারা কি করছে। কি অডিট হচ্ছে আমরা জানি না।
সিটিজিনিউজ/এসএ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here