উৎপাদনমূখী শিল্প খাতে প্রয়োজন পরিচ্ছন্ন-গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি

0

দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র যৌথ আয়োজেন “রিসোর্সেস এফিসিয়েন্ট ক্লিনার প্রোডাকশন এন্ড ইটস বেনিফিটস ফর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ ইন বাংলাদেশ” শীর্ষক কর্মশালা ২১ নভেম্বর সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়।

চিটাগাং চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় চিটাগাং চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ, পরিচালকবৃন্দ এ. কে. এম. আক্তার হোসেন, কামাল মোস্তফা চৌধুরী, মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), সরওয়ার হাসান জামিল, অঞ্জন শেখর দাশ ও মোঃ আবদুল মান্নান সোহেল, ঢাকা চেম্বারের পরিচালক রিয়াদ হোসেন, মেটাবিল্ড’র প্রজেক্ট ম্যানেজার এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী, সিনিয়র টেকনিক্যাল এক্সপার্ট রজত বাত্রা, প্রজেক্ট ম্যানেজার স্টিফান লেনিটজমি, বিভিন্ন মেটাল ইন্ডাষ্ট্রিজ’র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চিটাগাং চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম সূচনা বক্তব্যে বলেন-বাংলাদেশে চলমান বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণ কাজ বিশেষ করে দীর্ঘ বহুমূখী সেতু, সড়ক, ফ্লাইওভারসহ অন্যান্য প্রজেক্টের কারণে শুধুমাত্র গত বছরেই ইস্পাত শিল্পের প্রসার ঘটেছে ১৫%। বর্তমানে বিশ্বে উৎপাদনমূখী শিল্প খাতে সকলেই পরিচ্ছন্ন ও গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে সচেতন। মেটাবিল্ড তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে শিল্পে জ্বালানী সাশ্রয়ের পাশাপাশি আরো পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ অবদান রাখবে বলে তিনি মনে করেন।

চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ বলেন-দেশের শিল্প খাতে জ্বালানী সাশ্রয়ের পদ্ধতিগত ধারণা তৈরীতে মেটাবিল্ড’র প্রকল্পকে ব্যবসায়ীদের কাছে আরো সহজবোধ্য করতে এই কর্মশালার আয়োজন। আমাদের দেশে যথাযথ কারিগরি মেধা ও দক্ষতা না থাকায় বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি শিল্প কারখানাগুলোতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানী ও সম্পদ খরচ হচ্ছে। মেটাবিল্ড শিল্প কারখানায় জ্বালানী ও সম্পদ সাশ্রয়ের জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পরামর্শ সেবা প্রদান করে থাকে যা বিনামূল্যে গ্রহণ করতে সৈয়দ জামাল আহমেদ সকলকে আহবান জানান।

ঢাকা চেম্বারের পরিচালক রিয়াদ হোসেন বলেন-উন্নত জ্বালানী সাশ্রয়ী ব্যবস্থা, যে কোন শিল্প বিশেষ করে জ্বালানীভিত্তিক শিল্পে উৎপাদনের মান ও পরিমাণের উপর কোন বিরূপ প্রভাব ছাড়াই খরচ অনেকাংশে কমিয়ে দিতে পারে। মেটাবিল্ড এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তার সক্ষমতার প্রমাণ দেখিয়েছে এবং এ প্রজেক্টের মাধ্যমে বাংলাদেশেও শিল্প কারখানায় জ্বালানী খাতে ২৫% এবং ১৫% সম্পদ সাশ্রয় সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কর্মশালায় মেটাবিল্ড’র প্রজেক্ট ম্যানেজার এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী, সিনিয়র টেকনিক্যাল এক্সপার্ট রজত বাত্রা এবং প্রজেক্ট ম্যানেজার স্টিফান লেনিটজমি আলাদা তথ্যচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে শিল্প খাতে জ্বালানী সাশ্রয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি ও প্রযুক্তি সম্পর্কে উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদেরকে সম্যক ধারণা প্রদান করেন।

সিটিজিনিউজ/এইচএম 

Share.

Leave A Reply