সংঘটিত হামলার প্রতিবাদে চমেক ইন্টার্ন ডাক্তারদের বিক্ষোভ

0

বেসরকারি মেট্রোপলিটন হাসপাতালের চিকিৎসকের সঙ্গে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ইন্টার্ন ডাক্তারদের কথা কাটাকাটির জের ধরে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে চমেক ছাত্রলীগ।

মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে চমেক পূর্ব গেট থেকে মেইন গেট পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। এরপর মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট করেন শিক্ষার্থীরা।

সমাবেশে বক্তব্য দেন চমেক ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি আরমান উল্লাহ চৌধুরী, ডা. তারেকুল ইসলাম রাতিন, বর্তমান সভাপতি নাহিদ হাসান, কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম সাজ্জাদ রানা, ইন্টার্ন ডক্টর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা. গোলাম দস্তগীর প্রিন্স, সাবেক আহ্বায়ক ডা. রাশেদুর রেজা সানি প্রমুখ।

বক্তারা আহত মিতুল, সাব্বির, শোয়েব, সজীব, ফয়েজ, সুফিয়ান, নাঈম, আকাশ, জয়, মাহমুদ ও রাহাতের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

উল্লেখ্য,  নগরীর চকবাজার থানার গোলপাহাড় এলাকায় ডাক্তারদের দুই গ্রুপে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে কমপক্ষে পাঁচজন আহত হয়। সোমবার (২০ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টা থেকে প্রায় আধাঘণ্টা ধরে চলে এই সংঘাতের ঘটনা। 

নগর পুলিশের উপ কমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মোস্তাইন হোসেন বলেন, গোলপাহাড় মোড়ের পাশে ও আর নিজাম রোডে মেট্রোপলিটন হাসপাতালের ডা. আশফাকের সঙ্গে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের তিনজন ইন্টার্ন ডাক্তারের কথা কাটাকাটি হয়।

‘এর জেরে চমেক থেকে ইন্টার্ন ডাক্তাররা সংঘবদ্ধ হয়ে মিছিল করে মেট্রোপলিটন হাসপাতালে যান। পরে লোকাল ছেলেরাও আসে। ডাক্তারদের মধ্যে দুই গ্রুপ হয়ে মারামারি শুরু করেন।’

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, প্রকাশ্যে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষকে মারামারি করতে দেখা গেছে। এ সময় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দোকানপাট, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন হাসপাতালের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

চমেকের পূর্ব গেইটে অবস্থান নেওয়া ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম  বলেন, মারামারির পর দুই গ্রুপ পাল্টাপাল্টি মিছিল বের করেছে। উভয়পক্ষে উত্তেজনা আছে।

নগর পুলিশের ডিসি মোস্তাইন জানান, আহতদের মধ্যে দুজনকে ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া আরও তিনজন আহত হয়েছেন।

ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

হাসপাতালের ইন্টার্ন  চিকিৎসক ও চমেক শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ডা. নাহিদ বলেন, আমরা মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ডাক্তারদের সঙ্গে দেখা করে কথা বলতে গিয়েছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের ওপর চড়াও হয়েছে।

তার সঙ্গে চমেক ছাত্রসংসদের ভিপিও ছিলেন বলে জানান তিনি।

সিটিজিনিউজ/এইচএম 

Share.

Leave A Reply