কম্বোডিয়ার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর দেশ ত্যাগ

0

নিউজ ডেস্ক   ::   রোববার সকাল সাড়ে আটটা ৩৫ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী এবং তার সফর সঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কম্বোডিয়ার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন।

এ সময় বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা তাকে বিদায় জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের আমন্ত্রণে এই সফরে গেলেন। সফরে এশিয়ার এ দু’দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে ঢাকা আশা করছে।

বিমানটি একই দিন স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানী নমপেন আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছার কথা রয়েছে।

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের নিযুক্ত মিনিস্টার ইন ওয়েটিং, থাইল্যন্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং কম্বোডিয়ায় বর্তমানে অ্যাক্রেডিটেড সাদিয়া মুনা তাসনিম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অর্ভ্যথনা জানাবেন। বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে শেখ হাসিনাকে একটি মোটর শোভাযাত্রা সহকারে হোটেল সোফিটেলে নিয়ে যাওয়া হবে।

কম্বোডিয়া সফরকালে তিনি এখানেই থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী বিকেলে নমপেনে স্বাধীনতা স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন। তিনি কম্বোডিয়ার প্রয়াত রাজা নরোদম সিহানুকের রাজকীয় স্মৃতি মূর্তিতেও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

শেখ হাসিনা কম্বোডিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দেওয়া এক নৈশভোজে যোগ দেবেন। অনুষ্ঠানে কম্বোডিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিরাও যোগ দেবেন।

আগামীকাল সোমবার দুই প্রধানমন্ত্রীর একান্ত আলোচনার পূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করবেন।

পরে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও কম্বোডিয়ার মধ্যে ১১টি চুক্তি ও ৯টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।

অনুষ্ঠানে উভয় দেশের জাতির পিতার নামে ঢাকা ও নমপেনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নামকরণের ঘোষণা দেওয়া হবে। পরে শেখ হাসিনা ও হুন সেন যৌথ বিবৃতি প্রদান করবেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কম্বোডিয়ার রাজা নরোদম সিহানুকে’র সঙ্গে রাজকীয় স্রোতা এবং কম্বোডিয়ান সিনেট প্রেসিডেন্ট সে চুহুম ও ন্যাশনাল এসেম্বলি প্রেসিডেন্ট হেং সেমারিনের সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করবেন। তিন দিনের সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী ৫ ডিসেম্বর বিকেলে দেশে ফিরবেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই সফর দু’দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

দু’দেশের মধ্যে বেসামরিক বিমান চলাচল, যৌথ ট্রেড কাউন্সিল গঠন, ২০৩০-এর মধ্যে এসডিজি বাস্তবায়ন সম্পর্কিত সহযোগিতা, শ্রম ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, পর্যটন খাতে সহযোগিতা , দু’দেশের বাণিজ্য সংস্থাগুলোর মধ্যে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল এ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) এবং কম্বোডিয়ার রয়্যাল একাডেমির (আরএসি) মধ্যে একাডেমি সম্পর্কে বৃদ্ধি সম্পর্কিত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে।
সিটিজিনিউজ/এসএ

Share.

Leave A Reply