সরদঘাটে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা

0
20

নগরীর সদরঘাট  মাদারবাড়ি এলাকায় গুলি করে নগর যুবদল নেতা মো. হারুনকে (৪০) হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে বসা অবস্থায় তাকে গুলি করা হয়েছে।

রোববার (০৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পৌণে ৬টার দিকে কদমতলী শুভপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে।

হারুন প্রয়াত বিএনপি নেতা দস্তগীর চৌধুরীর ভাই আলমগীর চৌধুরীর ছেলে বলে  জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব।

হারুন নগরীর সদরঘাট থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বলে জানিয়েছেন নগর বিএনপির সভাপতি ডা.শাহাদাৎ হোসেন।

নগর পুলিশের কোতয়ালী জোনের সহকারি কমিশনার মো.জাহাঙ্গীর আলম  বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় তিন কাউন্সিলর মিলে শুভপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আনন্দ সমাবেশ ও শোভাযাত্রার আয়োজন করেছিলেন। শোভাযাত্রার এক পর্যায়ে হারুনকে গুলি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম  বলেন, হারুনের বুকে তিনটি গুলি লেগেছিল। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়েছিল। তবে বাঁচানো যায়নি।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তিন কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, মো.জোবায়ের এবং আব্দুল কাদের মিলে শোভাযাত্রা ও সমাবেশের এই কর্মসূচি দিয়েছিলেন।

হাসান মুরাদ বিপ্লব বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে শোভযাত্রা ও সমাবেশ শেষ করেছি। শোভাযাত্রার শেষদিকে পেছন দিকে গুলির শব্দ শুনি। তারপর আমি গিয়ে হারুনকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখি। তাকে আমি টেক্সিতে তুলে হাসপাতালে পাঠাই। পরে জানতে পারি হারুন দস্তগীর সাহেবের ভাই আলমগীর সাহেবের ছেলে।

‘কারা, কি কারণে তাকে গুলি করল সেটা আমরা জানি না। সম্ভবত সুযোগসন্ধানী কেউ আমাদের শোভাযাত্রার কারণে জনসমাগমের সুযোগ নিয়ে এই কাজ করেছে।’

সদরঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রুহুল আমিন বলেন, হারুনের ট্রান্সপোর্ট ব্যবসা আছে। তিনি সমাবেশ-শোভাযাত্রায় ছিলেন না। তার প্রতিষ্ঠানের ভেতরে তাকে লক্ষ্য করে কেউ গুলি করেছে। কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে সেটা আমরা তদন্ত করে দেখছি।

বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে হারুন জড়িত বলে জানিয়েছেন পরিদর্শক রুহুল আমিন ।

সিটিজিনিউজ/এইচএম 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here