নগরীতে দুর্নীতিবিরোধী দিবস উদযাপন

0 19

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

নানা আয়োজন ও আড়ম্বর পরিবেশে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস উদযাপন করেছে দুদকের আঞ্চলিক কার্যালয় চট্টগ্রাম ।

সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও বিভাগীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য ছিল মানববন্ধন, আলোচনাসভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জাতিসংঘের উদ্যোগে ২০০৩ সালের ৩১ অক্টোবর ‘দুর্নীতিবিরোধী সনদ’ গৃহীত হয়। সে বছর ৯ ডিসেম্বর মেক্সিকোর মেরিডাতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণকারী ১২৯ টি দেশের মধ্যে ৮৭ টি দেশ উক্ত সনদটিতে স্বাক্ষর প্রদান করে। স্বাক্ষরের দিনটি স্মরনীয় করে রাখতে ও বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনের পক্ষে জনসচেতনতা তৈরিতে জাতিসংঘ ৯ ডিসেম্বরকে ‘আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস’ ঘোষনা করে। ২০০৪ সাল থেকে প্রতিবছর বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় সকল দেশেই দিবসটি গুরুত্বের সাথে দিবসটি পালন করে। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানকে আরো সুদৃঢ় করার লক্ষে এবং বিশেষ করে জনগণের মধ্যে দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্ধেশ্যে দিবসটি পালন করেন।

সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও বিভাগীয় প্রশাসনের সহযোগীতায় দুদকের আঞ্চলিক কার্যালয় চট্টগ্রাম নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন করে। সকাল ৯ টা থেকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের নেতৃত্বাধীন কর্মকর্তা কর্মচারীগন ব্যানারসহ নগরীর সার্কিট হাউজের সামনে দুর্নীতিবিরোধী মানববন্ধন করে। পরে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে র‌্যালি বের করে প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিন করে জিমন্যাসিয়াম হলে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। আলোচনা সভায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি ড. এস এম মনিরুজ্জামান, পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার, পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা, দুদকের পরিচালক মো. আখতার হোসেন, মহানগর দুর্নীতিপ্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলী বক্তৃতা করেন।

বক্তারা বলেন, দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ছাত্রজীবন থেকে শিক্ষা নিতে হবে। এজন্য পাঠ্যবইয়ে নীতি- নৈতিকতা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পড়ালেখা করে বেশি টাকা আয় করতে হবে এ ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

ডিজিটাল প্রযুক্তির শতভাগ বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী বলেন, আবাসিক হোটেলে থাকতে যদি এনআইডি কার্ড দেখাতে হয়, জমি বেচাকেনা,ব্যাংকের লেনদেনে এনআইডি কার্ড ব্যবহার করতে হয় তাহলে মানুষ বুঝতে শিখবে তার সমস্তকাজের হিসাব তথ্য প্রযুক্তির দ্বারা সরকারের কাছে আছে। সে নিজে থেকেই নিজেকে বাঁচানোর জন্য দুর্নীতি করবে না। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার জন্য দুর্নীতি থেকে দূরে থাকতে হবে। যে দুর্নীতি করে সে একা বিপদে পড়েনা সমস্ত পরিবার পরিজন বিপদে পড়ে। সে টাকাওয়ালা লোক হতে পারে কিন্তু মানুষ তাকে ঘৃণা ও সমালোচনা করে। দুর্নীতিগ্রস্থলোক সমাজ দেশ ও জাতির শত্রু। আমাদের দুর্নীতিকে ঘৃণা করা উচিত।

সিটিজিনিউজ/এইচএম

 

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.