আমরা স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেছি : প্রধানমন্ত্রী

0 68

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

নিউজ ডেস্ক   ::   সরকারের পাশাপাশি মানবাধিকার সুরক্ষার কাজে নিয়োজিত বেসরকারি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, সিভিল সোসাইটি, গণমাধ্যম, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আরো কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বাণীতে এ আহ্বান জানান।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও রোববার (১০ ডিসেম্বর) বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা হবে। আওয়ামী লীগ সরকার দেশের জনগণের মানবাধিকার সুরক্ষায় বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আমরা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করি।

আমরা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন প্রণয়ন ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠন করি। সরকার ইতোমধ্যে কমিশনকে ৪৮ জন জনবল প্রদান করেছে। কমিশনকে আরো শক্তিশালী করতে বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে কমিশন স্বাধীন এবং নিরপেক্ষভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

এ উপলক্ষে শেখ হাসিনা বাংলাদেশসহ বিশ্বের অগণিত মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং বিশ্বের শোষিত-নিপীড়িত মানুষের সংগ্রামের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে বলেন, ‘আমরা স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেছি। সংবিধান সংশোধন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পথ বন্ধ করেছি। আমরা সকল মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার করার মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছি। জাতির পিতার হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করা হয়েছে।

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী-মানবতাবিরোধীদের বিচারের রায় কার্যকর করা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ মানবাধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে শ্রমিক, শিশু, নারী অধিকার কনভেনশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দলিল স্বাক্ষর ও অনুসমর্থন করেছে।

সকল মানুষের মানবাধিকার সুরক্ষা, সমধিকার, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণে এবং উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্তকরণে সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।’

বাংলাদেশ মানবাধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে শ্রমিক, শিশু, নারী অধিকার কনভেনশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দলিল স্বাক্ষর ও অনুসমর্থন করেছে জানিয়ে বাণীতে শেখ হাসিনা আরো বলেন, সকল মানুষের মানবাধিকার সুরক্ষা, সমধিকার, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণে এবং উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্তকরণে সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন শোষিত, নির্যাতিত, মেহনতি মানুষের বন্ধু। তিনি আজীবন বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছেন।

জাতির পিতা বলেছিলেন ‘বিশ্ব আজ দু’ভাগে বিভক্ত, একদিকে শোষক, আরেকদিকে শোষিত- আমি শোষিতের পক্ষে’। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারকে রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয় বলে বাণীতে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
সিটিজিনিউজ /এসএ

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.