ভ্রুণ থেকে নবজাতকের জন্ম

0
31

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   ::    সবচেয়ে বেশি সময় হিমায়িত (ফ্রোজেন) ভ্রূণ থেকে নবজাতকের জন্ম হয়েছে। টিনা গিবসন নামের এক নারী ওই ভ্রূণটি দত্তক নেন এবং ২৫ নভেম্বর একটি মেয়েসন্তান জন্ম দেন। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় টেনেসি অঙ্গরাজ্যে এই ঘটনা ঘটে।

ভ্রূণটি ১৯৯২ সালের ১৪ অক্টোবর থেকে হিমায়িত করে রাখা হয়। যা ওই নারীর বয়সের চেয়ে মাত্র এক বছর কম। ভ্রূণ থেকে বাচ্চা জন্মানোর তত্ত্বাবধানে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ভ্রূণ দান কেন্দ্রের (ন্যাশনাল এমব্রায়ো ডোনেশন সেন্টার) মেডিকেল পরিচালক ড. জেফরি কেনান।

জন্ম নেওয়া মেয়েশিশুটির নাম এমা রেন গিবসন। ওজন ৬ পাউন্ড ৮ আউন্স। আর উচ্চতা ২০ ইঞ্চি। মা টিনা গিবসন বলেন, ‘আমরা মনে করি, আমাদের সন্তান ঈশ্বরের পক্ষ থেকে বড়দিনের সবচেয়ে দামি উপহার। আমরা আসলেই অনেক কৃতজ্ঞ।’ টিনা গিবসন ও তাঁর স্বামী বেনজামিন গিবসন জানান, তাঁরা অনেক বেশি আশ্চর্য হয়েছেন, যখন জাতীয় ভ্রূণ দান কেন্দ্র থেকে ওই ভ্রূণটির বয়স জানানো হয়। টিনা বলেন, ‘এই ভ্রূণটির বয়স ২৫ আর আমার ২৬।

আমরা দুজনেই খুব ভালো বন্ধু হতে পারি। তিনি আরো বলেন, ‘এটি বিশ্বরেকর্ড হোক বা না হোক, সেটা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। আমি শুধু একটি সন্তান চেয়েছিলাম।’ সাত বছর আগে বিয়ে করেন গিবসন দম্পতি। তবে কোনো সন্তান না হওয়ায় তাঁদের একধরনের অপূর্ণতা ছিল।

এ জন্য তাঁরা এই ভ্রূণ নেওয়ার আগে বেশ কয়েকটি বাচ্চাকে লালন পালন করেছেন। তারপর একদিন টিনার বাবা তাঁদের এই ভ্রূণের ব্যাপারে বলেন। এরপর এই দম্পতি ভ্রূণ দান কেন্দ্র থেকে ভ্রূণটি নেন।
সিটিজিনিউজ /এসএ

 

 

 

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: সবচেয়ে বেশি সময় হিমায়িত (ফ্রোজেন) ভ্রূণ থেকে নবজাতকের জন্ম হয়েছে। টিনা গিবসন নামের এক নারী ওই ভ্রূণটি দত্তক নেন এবং ২৫ নভেম্বর একটি মেয়েসন্তান জন্ম দেন। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় টেনেসি অঙ্গরাজ্যে এই ঘটনা ঘটে।

ভ্রূণটি ১৯৯২ সালের ১৪ অক্টোবর থেকে হিমায়িত করে রাখা হয়। যা ওই নারীর বয়সের চেয়ে মাত্র এক বছর কম। ভ্রূণ থেকে বাচ্চা জন্মানোর তত্ত্বাবধানে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ভ্রূণ দান কেন্দ্রের (ন্যাশনাল এমব্রায়ো ডোনেশন সেন্টার) মেডিকেল পরিচালক ড. জেফরি কেনান।

জন্ম নেওয়া মেয়েশিশুটির নাম এমা রেন গিবসন। ওজন ৬ পাউন্ড ৮ আউন্স। আর উচ্চতা ২০ ইঞ্চি। মা টিনা গিবসন বলেন, ‘আমরা মনে করি, আমাদের সন্তান ঈশ্বরের পক্ষ থেকে বড়দিনের সবচেয়ে দামি উপহার। আমরা আসলেই অনেক কৃতজ্ঞ।’ টিনা গিবসন ও তাঁর স্বামী বেনজামিন গিবসন জানান, তাঁরা অনেক বেশি আশ্চর্য হয়েছেন, যখন জাতীয় ভ্রূণ দান কেন্দ্র থেকে ওই ভ্রূণটির বয়স জানানো হয়। টিনা বলেন, ‘এই ভ্রূণটির বয়স ২৫ আর আমার ২৬।

আমরা দুজনেই খুব ভালো বন্ধু হতে পারি। তিনি আরো বলেন, ‘এটি বিশ্বরেকর্ড হোক বা না হোক, সেটা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। আমি শুধু একটি সন্তান চেয়েছিলাম।’ সাত বছর আগে বিয়ে করেন গিবসন দম্পতি। তবে কোনো সন্তান না হওয়ায় তাঁদের একধরনের অপূর্ণতা ছিল।

এ জন্য তাঁরা এই ভ্রূণ নেওয়ার আগে বেশ কয়েকটি বাচ্চাকে লালন পালন করেছেন। তারপর একদিন টিনার বাবা তাঁদের এই ভ্রূণের ব্যাপারে বলেন। এরপর এই দম্পতি ভ্রূণ দান কেন্দ্র থেকে ভ্রূণটি নেন।
সিটিজিনিউজ /এসএ

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here