‘আমারটাই বেশি বড়’ : ট্রাম্প

0 19

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  ::  পরমাণু অস্ত্র সমৃদ্ধকরণ ও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার দ্বন্দ্ব দিন দিন ঘনীভূত হয়েই চলেছে। এ বিষয়ে কেউ কাউকে ছাড় দিতে এতটুকুও রাজি নয়। এমনকি একে অপরকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতেও ছাড়ছে না দেশ দুটি। যুক্তরাষ্ট্রে হামলার হুমকি আগেও বহুবার দিয়েছে উত্তর কোরিয়া।

সম্প্রতি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং-উন আবারও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পারমাণবিক বোমার বোতাম সব সময় তাঁর টেবিলেই থাকে। জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তাঁর পারমাণবিক বোমার বোতাম কিমের চেয়ে অনেক বড় আর শক্তিশালী। স্থানীয় সময় বুধবার ভোরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে করা পোস্টে এ কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

টুইটে ট্রাম্প লেখেন, ‘উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন বলেছেন, পারমাণবিক বোমার বোতাম সব সময় তাঁর টেবিলেই থাকে। তাঁর শূন্য ও খাবারবঞ্চিত দেশের কেউ তাঁকে জানিয়ে দিক, আমারও একটা পারমাণবিক বোমার বোতাম আছে।

আর সেটি তাঁর চেয়ে অনেক বড়, শক্তিশালী ও আমারটা একেবারে কর্মক্ষম।’ এর আগে নতুন বছরে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সরকারি টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে কিম জং-উন বলেন, পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের সুইচ সব সময়ের জন্যই তাঁর টেবিলে থাকে। ফলে ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কখনোই যুদ্ধ শুরুর সুযোগ পাবে না’।

গোটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের আওতার মধ্যে। একের পর এক পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের মহড়া চালানোর ঘটনায় দীর্ঘদিন ধরে উত্তর পিয়ংইয়ং ও হোয়াইট হাউসের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। সর্বশেষ ১৫ সেপ্টেম্বর ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া।

চলতি বছরে পঞ্চম ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ছিল সেটি। এ ছাড়া সেপ্টেম্বরের শুরুতে ষষ্ঠবারের মতো পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় দেশটি।

সর্বশেষ অক্টোবরে হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষা চালানো হয়। পারমাণবিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখায় গত ২২ ডিসেম্বর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ নতুন করে আরো কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে উত্তর কোরিয়ার ওপর। নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রগুলো সর্বসম্মতিক্রমে ওই প্রস্তাব পাস করেছে। নিষেধাজ্ঞায় উত্তর কোরিয়ার পেট্রোলিয়াম আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার যেসব নাগরিক বিদেশে কাজ করেন, তাঁদেরও ফেরানোর কথা বলা হয়েছে। জাতিসংঘের নতুন এই নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরিভাবে উত্তর কোরিয়ার ওপর অর্থনৈতিক অবরোধের আরোপের শামিল বলে মন্তব্য করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এর মধ্যেই বছরের শেষ দিনে টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে কিম জং-উন উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি আরো জোরদার করার ঘোষণা দিলেও প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি সুর বেশ নরমই রেখেছেন।

সিটিজিনিউজ / এসএ

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.