ভালোবাসা দিবসের দিনলিপি

0
101

 

শাওন আজহার  ::     ভালোবাসা মানে ক্লান্তি লগ্নে বিষন্নতা দূরিভূত করণ নাকি ঈষৎ খুঁজে পাওয়া লুকায়িত অনুভূতি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন ‘তুমি তাহাকে ভালোবাসো যে তোমাকে ভালোবাসে’ হায়রে ভালোবাসা কেবলি অনুভূতি , পথ পানে চেয়ে থাকা।

আজিকে ভালোবাসা দিবস ১৪ ই ফেব্রুয়ারী। ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায় ২৬৯ সালে রোমে সেন্ট ভ্যালেইটাইন’স নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন যাকে ধর্ম প্রচারের অপরাধে আটক করা হয়।মানবতার খাতিরে ভ্যালেইটাইন’স কারারক্ষীর দৃষ্টিহীন মেয়েকে সেবা শুশ্রুষার মাধ্যমে সুস্থ করে তুলেছিলেন।

এতে তার উদারতার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।মানবের প্রতি ভালোবাসার প্রতিদান স্বরুপ তাকে মৃত্যুদন্ডের মত উপহার পেতে হয় !
সে দিনেই ছিল ১৪ ই ফেব্রুয়ারী । পরবতীতে ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন’স স্মরণে এ দিনটিকে ভালোবাসা দিবস ঘোষণা করে।

মানবতার জয় যেখানে ফুটিয়ে তোলে আবেগের প্রতিচ্ছায়া সেখানে বিবেকের কোন স্থান নেই । আজ ভালোবাসা দিবস কি শুধুমাত্র প্রেমিক-প্রেমিকা যুগলদের জন্য , নাকি সর্বস্তরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মানবতার দৃষ্টি মুখর জাগ্রত বিবেকের প্রতিফলন।

ভালোবাসা দিবসে আপনজনকে শুভেচ্ছা জানাতে এসে ফুল হাতে অনেকেই বলে …… আজ ভালোবাসা দিবস , আসলে ভালোবাসা কি শুধুমাত্র আজিকের জন্য? ভালোবাসার মানুষকে আজীবন ভালোবেসে যাওয়া যায়। তাও এদিনটির মূল উদ্দেশ্য হলো বিশেষ দিন হিসেবে শুভেচ্ছার জানান দেওয়া।

আজিকে এই দিনলিপিতে দেখা যায় ভালোবাসার দোহায় দিয়ে পাবলিক বাসে নোংরামির প্রতিচ্ছবি , দেখা যায় অনুভূতির দোহায় দিয়ে ভালোবাসা দিবসের অমর্যাদা।মানবতার জয় হয়েছিল এই দিনে ……. আজিকে এ দিনটিকে পালন করা হয় ইতিবাচক এমনকি নেতিবাচক অধ্যায়ের মধ্য দিয়ে।

ভালোবাসা দিবসে ছড়িয়ে দাও মানবতার শেষটুকু। তবে তরুণ-তরুণী শুধু নয়, নানা বয়সের মানুষের ভালোবাসার বহুমাত্রিক রূপ প্রকাশের আনুষ্ঠানিক দিন আজ। এ ভালোবাসা যেমন মা-বাবার প্রতি সন্তানের, তেমনি মানুষে-মানুষে ভালোবাসাবাসির দিনও এটি।
সিটিজিনিউজ/এসএ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here