নগরীতে আচরণ বিধি রক্ষার্থে ১৩ ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান

63
  |  রবিবার, জানুয়ারি ১৭, ২০২১ |  ৯:৫১ অপরাহ্ণ

 

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদক: আচরণ বিধি প্রতিপালনে ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনী এলাকায় জেলা প্রশাসনের ১৩ ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

আজ ১৭ জানুয়ারি, রোববার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনী এলাকার ২৭,৩৭ ও ৩৮ নং ওয়ার্ড এলাকায় নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা প্রতিপালনে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুস সামাদ শিকদারের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।এ সময় কাউন্সিলর প্রার্থীদের দলীয় পরিচয় সম্বলিত ব্যানার, পোস্টার, অবৈধ ব্যানার ইত্যাদি জব্দ করা হয়। কাউন্সিলর প্রার্থীদের দলীয় পরিচয় সম্বলিত অবশিষ্ট পোস্টার ,ব্যানার সমূহ নিজ দায়িত্বে অপসারণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকায় অনুমোদন ব্যতীত কাছাকাছি দুটি নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপন করায় সেগুলো ভেঙ্গে দেয়া হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম নগরীর ১২ (সরাইপাড়া),২৩ নং (পাঠানটুলি) ও ২৪ নং ওয়ার্ড (উত্তর আগ্রাবাদ) ও সংরক্ষিত ৯ নং মহিলা কাউন্সিলর ওয়ার্ডে নির্বাচনী আচরণ বিধি প্রতিপালনে ও আইন শৃংখলা রক্ষার্থে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এ সময় ১২ নং সরাইপাড়া ওয়ার্ডের হালিশহর রোডের পানিরকল, বউবাজার এলাকায় কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ সাইফুল আলম (টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীক) এর পক্ষে মোটর যানবাহনে পোস্টার লাগিয়ে মাইক যোগে নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম করছিলেন। মোটর‍ যানবাহনে পোস্টার লাগানোর দায়ে সিটি কর্পোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা,২০১৬ এর ৮(৮) ধারা ভঙ্গ করায় কাউন্সিলর প্রার্থীর কর্মী জালালউদ্দিন আকবরকে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম আলমগীর  নগরীর ১৪, ১৫ ও ২১ নং সাধারণ ওয়ার্ডে ( সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড-০৫) এ “সিটি কর্পোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা ২০১৬”প্রতিপালনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এসময় কাউন্সিলর প্রার্থীদের দলীয় পরিচয় সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার অপসারণ করা হয়। অবশিষ্ট দলীয় পরিচয় সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার দ্রুত সরিয়ে ফেলার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুকের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে আচরণ বিধি প্রতিপালনে ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে কোতোয়ালীর ৩৩,৩৪ ও ৩৫ নংসাধারন ওয়ার্ডে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা হয়।
এসময় দেখা যায়, কাউন্সিলরদের পোস্টার, ব্যনার ও লিফলেটে নিজেদের দলীয় প্রার্থী হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।কিন্তু তা কাউন্সিলরদের জন্যে এটি নির্বাচন আচরণ বিধি লঙ্ঘন।যেহেতু কাউন্সিলর দলীয় ভাবে মনোনীত নয় তাই তাদের এ ধরনের পোস্টার, ব্যনার,লিফ্লেট সরিয়ে ফেলে।যার ফলে আগামী ৩ দিনের মধ্যে সকলের লিফ্লেট সরানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা  নগরীর ৭,৮ ও সংরক্ষিত মহিলা আসন ৩ নং ওয়ার্ডে প্রাচরনায় “সিটি কর্পোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা ২০১৬” এর ৮(৮) ভঙ্গ করে ব্যানার ও পোস্টার লাগানোর দায়ে  একজনকে ১০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী  নগরীর ২৮, ২৯ ও ৩৬ নং সাধারণ ওয়ার্ড এবং সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড-১১ এ নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৯ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. সাজ্জাদ হোসেন এর পক্ষের এক সমর্থককে পোস্টারে কাউন্সিলর পদপ্রার্থীর ছবির পাশাপাশি এক মেয়র প্রার্থীর ছবি ব্যবহারের দায়ে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন নগরীর ২২, ৩০ ও ৩১ নং ওয়ার্ডে এ নির্বাচনী আচরণবিধির মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। নির্বাচনী আচরণ বিধির মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে “সিটি কর্পোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা ২০১৬” ভঙ্গ করে ব্যানার ও পোস্টার লাগানোয় পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় সেগুলো নামিয়ে ফেলা হয় এবং প্রার্থীদের টেলিফোনে মৌখিক ভাবে সতর্ক করা হয়।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন বিকালে নগরীর ৯,১০ ও ১৩ নং সাধারণ ওয়ার্ডে এ নির্বাচনী আচরণবিধির মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

এমকে

Advertisement