দীর্ঘ আড়াই দশকেও হয়নি পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন

42
  |  সোমবার, জানুয়ারি ২৫, ২০২১ |  ১:৩০ অপরাহ্ণ

বাণিজ্য: আমদানি পণ্য খালাসে শুল্কায়ন আগের চেয়ে দ্রুত হলেও পণ্যের শুল্ক মূল্য নির্ধারণ নিয়ে বিরোধ কাটেনি। এতে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। আধুনিক শুল্ক ব্যবস্থাপনার অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমটি দীর্ঘ ১৩ বছরেও পূণার্ঙ্গ হয়নি। কাস্টম হাউসগুলোর অটোমেশনও হয়নি পুরোপুরি। বিশ্লেষকদের মতে, এতে বাণিজ্যের আড়ালে অর্থ পাচার কমছে না। তবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলছেন, অ্যাসাইকুডা সিস্টেমের উন্নয়নের কাজ চলছে।

আমদানি-রফতনি বাণিজ্য গতিশীল করা এবং বন্দর থেকে দ্রুত পণ্য খালাসে ১৯৯৪ সাল থেকে কাস্টম হাউসগুলোর অটোমেশনের প্রক্রিয়া শুরু করে এনবিআর। দীর্ঘ আড়াই দশকেও হয়নি পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন। কাস্টম হাউসগুলোর সঙ্গে বন্দর, মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর অনলাইনে সংযোগ বা সমন্বয় না থাকায় বিনা শুল্কে বন্দর থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে পণ্য। ধরা পড়ছে না আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য।

Advertisement

এনবিআরের সাবেক সদস্য ফরিদ উদ্দিন বলেন, দুর্ভাগ্যক্রমে আমাদের কাস্টমসের যে সিস্টেম তার সঙ্গে রেগুলেটিং এজেন্সি বা ফ্যাসিলেটিং এজেন্সি এখন পর্যন্ত সেভাবে সম্পৃক্ত নয়। মানি লন্ডারিংকে রোধ করার জন্য যে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম অথবা কাস্টম তো কাস্টমস ইন্ট্রিগ্রেশন থাকা দরকার। তাহলে কোন প্রতিষ্ঠানের ফাঁকি দেয়া সম্ভব না।

এফবিসিসিআইের সাবেক পরিচালক আব্দুল হক বলেন, পণ্যের শুল্ক মূল্য নির্ধারণের পাথর্ক্যের কারণে ব্যবসায় অসম প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে।

এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, সব সংস্থাকে এক জায়গায় এনে সমন্বিত সেবা দিতে ন্যাশনাল সিঙ্গেল উনডো প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে।

রাজস্ব আয় বাড়াতে কাস্টম হাউসগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নের পাশপাপাশি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দক্ষ জনবল প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

 

এন-কে

Advertisement