কেন ভুলে যাচ্ছি হারুনুর রশীদকে !

0 18

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ হারুনুর রশীদ।

সাফি-উল হাকিম : কেন আমরা ভুলে যাচ্ছি আওয়ামী রাজনীতির নিরব এক সংগ্রামী মানুষকে। মনে রাখতে কেন ব্যর্থ হচ্ছে আওয়ামী রাজনীতিতে আসা নতুন মুখগুলি। পোস্টারে তার ছবি নেই বলে,সভা-সমাবেশে অতিথি থেকেও নাম ঘোষণা করা হয় না বলে। নাকি রতন রতনকে চেনে না বলে! সত্যি তিনি আওয়ীমী যুবলীগ রাজনীতির রতন। এই রতনের নাম বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ হারুনুর রশীদ।

রাজপথের লড়াকু সৈনিক, স্বৈরাচার বিরোধী ও গণতন্ত্র আন্দোলনের অগ্রদূত
রায়পুরা বাসীর প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে অনেক নেতা-কর্মীই এভাবে কষ্টের কথা প্রকাশ করে আহুত হয়েছে। বইছে চাপা ক্ষোভও।

এখনোও মাত্র ১৭ হাজার টাকায় ছোট্ট একটি বাসা ভাড়ায় থাকেন মজলুম এই জননেতা। দেশমাতৃকার টানে একদিন যিনি মরনের কথা ভুলে গিয়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলেন। লাল-সবুজ পতাকাকে ছিনিয়ে এনেছেন। হয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধ শেষ তবে সংগ্রামী জীবন আজো বয়ে চলেছে তাঁর। আজো অটু দেশ প্রেম। এখন সংগ্রাম করেন গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে।

এ প্রসঙ্গে জানতে সিটিজিনিউজ থেকে আলহাজ্ব মোঃ হারুনুর রশীদের মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায় নি। তবে তার আপন ভাগ্নে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কশিনের চট্টগ্রাম বিভাগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জালাল ইব্রাহিম জানান, রাজনীতিতে আমার মামা আলহাজ্ব মোঃ হারুনুর রশীদ নিরবে বিপ্লব ঘটাচ্ছেন। নির্লোভ ও নিরহংকারী মানুষটি রায়পুরবাসীর নিকট অতি পরিচিত ও অতি প্রিয়জন। যার উপর ভর করে আছে হাজারো মানুষের স্বপ্ন ও জীবন। এত বড় হয়েও তিনি সাধারনের মাঝে মিশে থাকেন সদা। নি:স্বার্থবান এ মানুষটি দেশজুড়ে পরিচিত করিয়ে দেওয়া না গেলে নতুনরা কি শিখবে। কার আদর্শকে বুকে ধারন করবে,উল্টো প্রশ্ন রাখেন এই প্রতিবেদকের কাছে।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ আয়োজিত চট্টলবীর আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর শোকসভায় মামা হারুনুর রশীদের পক্ষে চট্টলবীর আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জালাল ইব্রাহীম। বিভিন্ন সময়ে নিজহাতে মামার ছবি সম্বলিত পোস্টার ছাঁপিয়েছেন জালাল ইব্রাহীম। মামাকে পরিচয় করিয়ে দিতে চট্টগ্রাম শহরজুড়ে লাগিয়েছেন পোস্টার-ব্যানার।

ভাগ্নে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কশিনের চট্টগ্রাম বিভাগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জালাল ইব্রাহীমের মাথা হাত রেখে দোয়া করে দিচ্ছেন মামা আলহাজ্ব মোঃ হারুনুর রশীদ।

ভাগ্নে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কশিনের চট্টগ্রাম বিভাগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জালাল ইব্রাহীমের মাথা হাত রেখে দোয়া করে দিচ্ছেন মামা আলহাজ্ব মোঃ হারুনুর রশীদ।

আসন্ন ১১ তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রায়পুরা থেকে এ.পি হিসেবে দাড়াচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে ইব্রাহীম জানান,রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ার পর থেকেই মামাকে দেখেছি কর্মীদের মনের দুঃখ বুঝে কথা বলতে। বঙ্গবন্ধু কন্যা -দেশরত্ন-জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি তাকে নৌকা প্রতীক দেন তাহলে আশাকরি কর্মীবান্ধব মামার জয়লাভের দায়িত্ব কর্মীরাই নিবেন। তবে জীবন সায়াহ্নে এসেও মামাকে যখন নতুন করে দলের নেতা-কর্মীদের কাছে পরিচিত হতে হয় তখন মনটা দুঃখে ভারী হয়ে ওঠে। প্রিয়নেতার প্রতি এটাই বুঝি প্রেম এটাই বুঝি ভালোবাসা!

সিটিজিনিউজ/এইচএম

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.