সুদানে বাংলাদেশ পুলিশের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

73
 প্রবাসজুড়ে |  বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৯, ২০২১ |  ৫:২৮ অপরাহ্ণ

স্বাধীনতার এই সুবর্ণ জয়ন্তীতে সুদান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে এল ফাশের লজিস্টিক বেজে পরিবেশ রক্ষায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।

সুদানে উনামিড মিশন গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সালে অফিশিয়ালি সমাপ্ত ঘোষনা করে। এখন চলছে মিশন সমাপ্তির লিকুইডিশন সময়। আর এই লিকুইডিশন সময়ে পরিবেশ রক্ষা করে মিশন সমাপ্ত করার কাজে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করেছে। আজ তারই ধারাবাহিকতায় ব্যানএফপিইউ কমান্ডারের নের্তৃত্বে মিশনে কর্মরত প্রায় ৫০টি দেশের দুই শতাধিক সদস্য পরিবেশ পরিচ্ছন্নতার এই ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করে।

Advertisement

পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রধান অতিথি ছিলেন মিশন সাপোর্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান হুইটসন ফার্গুসন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চিফ ইঞ্জিনিয়ার টেইলর পিয়ার্স, চিফ মেডিকেল অফিসার ভিনসেন্ট। সুদানিজ সময় সকাল ৭টায় এল ফাশের লজিস্টিক বেজের সদরদপ্তরের এরিয়া থেকে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার ক্যাম্পেইন শুরু হয়ে তা পিএক্স, হার্ড ওয়াল, ভিআইপি একোমোডেশন, লেভেল-২ ক্লিনিক হাসপাতাল, জিসিসি এরিয়াতে এসে সমাপ্ত হয়।

ক্যাম্পেইনে ব্যানএফপিইউ কমান্ডারের নের্তৃত্বে অংশগ্রহন করেন জিবুতি এফপিইউ, পাকিস্তান এফপিইউ, ইন্দোনেশিয়া এফপিইউ, রোয়ান্ডা পিকেএফ, চায়না ইঞ্জিনিয়ার কোম্পানি, নেপাল এফপিইউ সদস্যসহ মিশনে কর্মরত বেসামরিক সদস্যরা।

প্রধান অতিথি হুউটসন ফার্গুসন তার বক্তব্যে বলেন, বরাবরের মত বাংলাদেশ পুলিশ ইউনিট এল ফাশের লজিস্টিক বেজে পরিবেশ রক্ষায় অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করে আসছে, তার প্রমাণ আজ। তিনি স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর জন্য বাংলাদেশের সকল জনগনকে শুভেচ্ছা প্রদান করেন। বাংলাদেশ পুলিশ মিশনে রিপার্টেশনকালেও সাপোর্ট দেয়ায় ব্যানএফপিইউ কমান্ডারকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

এসময় বিশেষ অতিথি চিফ ইঞ্জিনিয়ার টেলর পিয়ার্স বলেন, এই মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের অবদান সবাই শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। ব্যানএফপিইউ কমান্ডার দেশকে যেভাবে বিশ্বের দরবারে উপস্থাপন করেছে, তা মিশন ইতিহাসে এর আগে কেউ করেছে বলে আমার কর্মময় জীবনে জানা নেই।

কমান্ডার মোহাম্মদ আব্দুল হালিম বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব আমরা একসঙ্গে পালন করছি। ঐতিহাসিক এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। এই মিশনে আমি জাতির পিতা, বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ পুলিশকে সকল দেশের সামনে তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি এবং বোঝাতে সক্ষম হয়েছি বাংলাদেশ পুলিশ তথা বাংলাদেশের মানুষ যেকোনা কাজে সফলতার দাবীদার। শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশকে যেনো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নেয়া হয়, তারই জন্য আমার এই সকল প্রচেষ্টা।

পরিচ্ছন্ন অভিযান শেষে বাংলাদেশ পুলিশ অংশগ্রহণকারী সকল সদস্যের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করে। এই প্রোগ্রামে আরো উপস্থিত ছিলেন রোয়ান্ডার কমান্ডার, জিবুতি কমান্ডার, নেপাল কমান্ডার, চিফ ইউএনডিএসএস প্রমুখ।

কেএন

Advertisement