চুয়াডাঙ্গার বধ্যভূমি ও গণকবর

46
 ভ্রমণ ডেস্ক : |  রবিবার, মে ২, ২০২১ |  ২:৩২ অপরাহ্ণ

স্বাধীনতা যুদ্ধের সূতিকাগার বলা হয় চুয়াডাঙ্গাকে। প্রথমেই চুয়াডাঙ্গাকে অস্থায়ী রাজধানী ঘোষণা করা হয় এবং ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পাকিসেনারা এ সিদ্ধান্ত জেনে ফেললে চুয়াডাঙ্গার ওপর পরিকল্পিতভাবে অত্যাচার বাড়ানো হয়। পরে কৌশলগত ও নিরাপত্তাজনিত কারণে চুয়াডাঙ্গা থেকে সরিয়ে মুজিবনগরে শপথ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাই চুয়াডাঙ্গা জেলায় বধ্যভূমির সংখ্যাও কম নয়। যুদ্ধের সময় মদনা গ্রামে বাড়িতে আগুন ধরিয়ে পৈশাচিকতা প্রকাশ করে।

Advertisement

নারকীয় অবস্থানে যায় পাক আর্মিরা। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের পেছনে, নাটুদহের স্কুলের পেছনে, জীবননগরের ধোপাখালী গণকবর, মদনার হৈবৎপুর গ্রামে পাঁচ কবর, নাটুদহের আট কবর, আলমডাঙ্গার লালব্রিজ সংলগ্ন বধ্যভূমি সংগ্রামী যুদ্ধের চুয়াডাঙ্গা জেলার কথা মনে করিয়ে দেয়। মদনা গ্রামে আগুন ধরিয়ে দেওয়া।

চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গার কুমার নদের ওপর অবস্থিত লালব্রিজের দু’পাশে ছিল পাকিস্তানি মিলিশিয়া বাহিনীর ক্যাম্প। রেললাইনের খুলনাগামী ডাউনে অর্থাৎ লালব্রিজের আলমডাঙ্গার পাশে ১টা ও নদের অপর পাড়ে কুষ্টিয়ার দিকে কালিদাসপুরে আরেকটা মিলিশিয়া ক্যাম্প ছিল। আপের দিকে আসা ট্রেন লালব্রিজের আলমডাঙ্গা মাথায় দাঁড় করাত। অন্যদিকে যাওয়া ট্রেন লালব্রিজের কালিদাসপুর প্রান্তে দাঁড় করিয়ে নিরপরাধ যাত্রীদের ধরে ধরে নিয়ে যেত। অকথ্য নির্যাতন শেষে নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ এ বধ্যভূমিতে পুঁতে রাখত। মুক্তিযুদ্ধকালীন পাক ঘাতকরা ট্রেন থামিয়ে স্বাধীনতাকামী প্রায় ২ হাজার নারী-পুরুষ হত্যা করে রেলব্রিজের পাশে ওয়াপদা ভবনের বাউন্ডারির মধ্যে ও পার্শ্ববর্তী দুটি বধ্যভূমিতে পুঁতে রাখে। এ গণহত্যার প্রধান হোতা ছিল মেজর রানা, মেজর আজম খান, ক্যাপ্টেন নকডি ও হাবিলদার এনায়েত।

লালব্রিজের কাছে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও বাঙালি নর-নারীর ওপর পাশবিক নির্যাতনের সাক্ষী এটি। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের জুনের শেষ থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত নারকীয় নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালানো হয় এবং এখানে পুঁতে রাখা হয়। সেই সময় এখানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের হলুদ খালাসি ঘর ছিল। এ কক্ষেই স্বাধীনতাকামী যুবক, নারী-পুরুষকে নির্যাতন শেষে হত্যা করা হতো। লাশ পুঁতে রাখা হতো বা ফেলে রাখত পাকপিশাচ ও তাদের দোসররা। ‘টর্চার সেল’ নামক সেই হলুদ কক্ষটি ঘিরে এখন বধ্যভূমির স্তম্ভ বা কমপ্লেক্স।

স্মৃতিস্তম্ভ
নরপশু পাকবাহিনী বাঙালি জাতির ওপর জঘন্যতম এ নির্যাতনের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও বাস্তবায়ন কমিটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় ২০০৯ সালে। ২০১২ সালে নির্মাণ করা হয় এ স্মৃতিস্তম্ভ। প্রতিদিন হাজারও দর্শনার্থী আলমডাঙ্গা রেলস্টেশনের লালব্রিজের কাছের এ বধ্যভূমিতে আসেন স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানি ও রাজাকারদের নারকীয় তাণ্ডবের ধ্বংসলীলা দেখতে।

নরপশুরা নারীদের ধর্ষণ করত নির্বিচারে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এ বধ্যভূমির গর্তে পাওয়া গেছে শত শত মানুষের মাথার খুলি ও হাড়। অনেকে এ বধ্যভূমিতে এসে তাদের আত্মীয়-স্বজনদের আজও খুঁজে ফেরেন। কেউ গুমরে কেঁদে ওঠে আবার কেউ নীরবে চোখের পানি ফেলে ফিরে যায় আপন ঠিকানায়।

ছোট্ট কমপ্লেক্স, আরও স্মৃতিচিহ্ন বাড়ানো যায়- চেষ্টা করছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা ও বাসিন্দারা। এটির নকশা ও তদারকি করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার একঝাঁক তরুণ-তরুণী। নেতৃত্বে চারুকলা অনুষদের শিক্ষক এলাকার কৃতীসন্তান আবদুস সালাম।

চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অংশগ্রহণকারী ৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ হন। তাদের বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে শহিদের মর্যদায় কবর দেওয়া হয়। বর্তমানে ইহা ছয় কবর নামে পরিচিত। উপজেলা সদর হতে ৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এটি। ধোপাখালী সীমান্তের জিরোপয়েন্টে সাবেক সেনাপ্রধান মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এক গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ পরিচালিত হয়। এতে ৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন এবং মোস্তাফিজুর রহমান গুরুতর আহত হন। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ৬ জন শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেন- ১. হাবিলদার-আব্দুল গফুর, ২. নায়েক-আবদুর রশিদ, ৩. নায়েক-আব্দুল মালেক, ৪. সিপাহী আব্দুল আজিজ, ৫. সিপাহী আবু বকর ও ৬. সিপাহী ছিদ্দিক। শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রত্যেকে ইপিআর সদস্য ছিলেন।

যুদ্ধসমূহ: ১. ধোপাখালী মাঠের যুদ্ধ, ২. দত্তনগর কৃষি ফার্মের যুদ্ধ, ৩. উথলী যুদ্ধ ও ৪. আন্দুলবাড়িয়া যুদ্ধ। ধোপাখালী যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ক্যাপ্টেন মোস্তাফিজুর রহমান পরবর্তীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান হয়েছিলেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা শহর থেকে বাসযোগে জীবননগর; তারপর জীবননগর থেকে ৭-৮ কিলোমিটার পিচরাস্তা অটোভ্যান যোগে উথলী ইউনিয়নের মাধবখালী বটতলা হয়ে মাধবখালী মুক্তিযোদ্ধা কবরস্থানে যেতে হয়।

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী স্থান হচ্ছে আট কবর। আমাদের প্রাণের, আমাদের আবেগের ইতিহাস জড়িত এখানে। এটা একটি ঐতিহাসিক স্থান। বলা চলে- রাজাকার কুবাদ খা’র মায়াবী প্রতারণার ফাঁদ হচ্ছে এই আট কবর। পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসরদের নারকীয় কাণ্ডের এক ইতিহাস। ১৯৭১ সালে মুক্তিকামী আট বীর বাঙালিকে হত্যা করে তারা। আট শহিদের কবর ও একটি মিউজিয়াম নির্মাণ করা হয়েছে নাটুদহের এ স্থানে।

আট কবর
১৯৭১ সালের ৩ আগস্ট, গেরিলা কমান্ডার হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একদল মুক্তিযোদ্ধা দামুড়হুদার সীমান্তবর্তী জয়পুর শেল্টার ক্যাম্পে অবস্থান নেন। এ সময় পাকিস্তান মুসলিম লীগের দালাল কুবাদ খাঁ পরিকল্পিত প্রতারণার ফাঁদ পাতে। সে জয়পুর ক্যাম্পে মুক্তিবাহিনীকে খবর দেয় যে, রাজাকারেরা নাটুদা, জগন্নাথপুর ও এর আশপাশের জমি থকে পাকা ধান কেটে নিয়ে গেছে। দেশপ্রেমের টানে যুবকদের রক্ত টগবগ করে ওঠে। রাজাকার ও পাক আর্মিদের শায়েস্তা করতে ৫ আগস্ট মুক্তিযোদ্ধার দল দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে বাগোয়ান এলাকায়। এ সুযোগে নাটুদা ক্যাম্পের পাক আর্মি পরিকল্পিতভাবে চতুর্দিকে ঘিরে ফেলে। শুরু হয় সম্মুখ যুদ্ধ। আটকা পড়ে বেশ কয়েকজন। আটজন মুক্তিযোদ্ধাকে তারা হত্যা করে। বেশ কয়েকজন আহত অবস্থায় পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। অবশ্য এ সম্মুখ যুদ্ধে অনেক পাক আর্মিও হতাহত হয়।

পাক আর্মির নির্দেশে রাজাকারেরা ৮ শহীদ মুক্তিযোদ্ধাকে পাশাপাশি দুটি গর্ত করে কবর দেয়। পরবর্তীতে এর নামকরণ হয় ‘আট কবর’। আটজন শহিদ মুক্তিযোদ্ধা হচ্ছেন- (১) হাসান জামান, গোকুলখালি, চুয়াডাঙ্গা; (২) খালেদ সাইফুদ্দিন তারেক, পোড়াদহ, কুষ্টিয়া; (৩) রওশন আলম, আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা; (৪) আলাউল ইসলাম খোকন, চুয়াডাঙ্গা শহর; (৫) আবুল কাশেম, চুয়াডাঙ্গা শহর; (৬) রবিউল ইসলাম, মোমিনপুর, চুয়াডাঙ্গা; (৭) কিয়ামুদ্দিন, আলমডাঙ্গা ও (৮) আফাজ উদ্দিন চন্দ্রবাস, দামুড়হুদা। এখানে একটি মুক্তমঞ্চ আছে। আছে সুরম্য মুক্তিযুদ্ধ সংগ্রহশালা। সুন্দর সুন্দর ফুল বাগান আর বিভিন্ন প্রজাতির ফলগাছ আপনাকে স্বাগত জানাবে।

মুক্তিযুদ্ধ সংগ্রহশালা
যারা খুলনা-যশোর থেকে আসবেন তারা কালীগঞ্জ-দর্শনা ভায়া কার্পাসডাঙ্গা হয়ে আর যারা ঢাকা-মাগুরা থেকে আসবেন তারা ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা ভায়া মেহেরপুর-কার্পাসডাঙ্গা দিয়ে এবং যারা উত্তরবঙ্গ দিয়ে আসবেন তারা কুষ্টিয়া-মেহেরপুর হয়ে আট কবর-মুজিবনগর আসতে পারবেন।
দর্শনার পাশে মদনা-হৈবৎপুরে পাঁচ মুক্তিযোদ্ধা একসাথে শহিদ হন। সম্প্রতি ইউপি চেয়ারম্যান জাকারিয়া আলমের সহযোগিতায় স্মৃতিস্মারক নির্মাণ করা হয়েছে।পারকৃষ্ণুপুর-মদনা ইউনিয়নে মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়ক/স্থাপনার নামকরণ করা হয়েছে। বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবসে এবং স্থানীয় শহিদ দিবসে বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালন করে থাকেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। আট কবর, লালব্রিজ ও ধোপাখালী গণকবরে রাষ্ট্রীয় জাতীয় দিবসগুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করা হয়ে থাকে।

থাকা ও খাওয়া
থাকা ও খাওয়ার জন্য আলমডাঙ্গায় সীমিত সুযোগ-সুবিধা আছে। ১৭ কিলোমিটার দূরের জেলা শহর চুয়াডাঙ্গায় থাকা ও খাওয়ার সবরকমের সুবিধা আছে। বড়বাজার সংলগ্ন হোটেলগুলোর যে কোনো একটি বেছে নিতে পারেন। কয়েকটি হোটেল/মোটেল/রেস্তোরাঁ/রেস্ট হাউস/গেস্ট হাউস/ডাকবাংলো ইত্যাদির ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর- ১. সানড্রিয়ান হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, রূপসা সিনেমা হলপাড়া, চুয়াডাঙ্গা (০১৯১৯৯৭০৩৫৫), ২. হোটেল অবকাশ (আবাসিক), জেয়ার্দার শহীদ আবুল কাশেম সড়ক, চুয়াডাঙ্গা (ফোন ০৭৬১-৬২২৮৮), ৩. হোটেল আল-মেরাজ, মুক্তিপাড়া, চুয়াডাঙ্গা (০১৭২১৬৫৬৪৪৯), ৪. অন্তুরাজ আবাসিক, রেলস্টেশনের পশ্চিম দিকে, চুয়াডাঙ্গা (০৭৬১৬২৭০২), ৫. প্রিন্স আবাসিক হোটেল, ফেরিঘাট রোড, চুয়াডাঙ্গা (০৭৬১৬২৩৭৮), ৬. হোটেল অবসর, শহীদ আবুল কাসেম সড়ক, চুয়াডাঙ্গা (০৭৬১৬২৪০৫), ৭. শয়ন বিলাস (আবাসিক), শহীদ আবুল কাসেম সড়ক, চুয়াডাঙ্গা (০৭৬১৬৩৭৭৮), ৮. মিজান আবাসিক হোটেল, আলমডাঙ্গা, চুযাডাঙ্গা(০১৭১১৪৪৩০৮১)।

কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে ট্রেন-বাসে আলমডাঙ্গা নামতে পারেন। ভালো সুবিধা পেতে ঢাকার গাবতলী থেকে চুয়াডাঙ্গা -মেহেরপুরগামী বাসে উঠে পড়ুন। এসি-ননএসি সব গাড়িই পাবেন। গাড়িভেদে ভাড়া ৪৫০-১২০০ টাকা। এরপর লোকাল বাস বা অটোতে আলমডাঙ্গা লালব্রিজে নামুন। এক মিনিট হেঁটেই আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি। লাল রেলব্রিজ নামে এটা লালব্রিজ বধ্যভূমি নামেই পরিচিত।

কী কী দেখবেন:
পূর্বের হলুদ কাচারি ঘর। এটাই পাকিস্তান বাহিনী বাঙালি ‘টর্চার সেল’ হিসেবে ব্যবহার করত। বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ। লাল রেলসেতুও দেখতে পারবেন। নবগঙ্গা নদীর তীরে নতুন নির্মিত বিরাট মঞ্চ দেখতে পাবেন। উন্মুক্ত বিশ্রামাগার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ৩-৪ কিলোমিটার দূরে কুমারিতে অবস্থিত ভিটিআই দেখতে পারবেন। এরকম প্রতিষ্ঠান দেশে হাতেগোনা। চুয়াডাঙ্গা শহরেই মুক্তিযুদ্ধকালীন পরামর্শকেন্দ্র দেখতে পারেন। এর পাশেই আপনি যে কোনো হোটেলেই রাত্রিযাপন করতে পারেন। খাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন। এখান থেকেই দেশের যেকোনো প্রান্তে যেতে পারবেন। ২ কিলোমিটার দূরেই রেলস্টেশন। এই বড়বাজার থেকে অতি সহজেই মুজিবনগরেও যেতে পারবেন।

চুয়াডাঙ্গা থেকে আপনি ইচ্ছা করলে খুব সহজেই বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী মুজিবনগর যাওয়ার পথে যুদ্ধকালীন আট বীরযোদ্ধার হত্যাকাণ্ডের স্থান আট কবর দেখতে পারবেন। মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ ও কমপ্লেক্স অনেক অজানাকে জানতে পারবেন অজান্তেই। তাই বিজযের মাসে বেশি করে ভ্রমণ করি মুক্তিযুদ্ধকালীন এরকম স্মারকগুলোতে।

এমজে/

Advertisement